ফাইল ছবি

কলকাতা:  রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার শুনানি শেষ স্যাটে। মোট তিনদিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় তিনদিন। বিচারপতি রঞ্জিত বাগ ও সুবেশ দাসের বেঞ্চ আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে মামলার মূল আবেদনকারীকে সুপ্রিম কোর্টের কয়েকটি রায়ের কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তারপর মামলার রায় দেবে স্যাট। হাইকোর্টে ডিএ মামলার শুনানি চলার সময় ওই রায়গুলির উল্লেখ করা হয়েছিল আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে। এমনটাই প্রকাশ বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে।

বাংলা এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মামলাকারী সরকারি কর্মী সংগঠনের আইনজীবী সর্দার আমজাদ আলি কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের (সিপিআই) ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্ধারিত হারে রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন। তিনি যুক্তি দেন, রাজ্য সরকার পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ২০০৯ সালে রোপা আইন করেছে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের বেতন কেন্দ্রীয় কর্মীদের সমহারে নির্ধারণ করেছিল পঞ্চম বেতন কমিশন।

রাজ্য সরকারের আইনজীবী অপূর্বলাল বসু বলেন, কেন্দ্রীয় হারে রাজ্য কর্মীদের ডিএ দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের আর্থিক সঙ্কট বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। চেন্নাইয়ের ইয়ুথ হস্টেল ও দিল্লির বঙ্গ ভবনের রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ পাওয়ার প্রসঙ্গটি এদিনের শুনানিতে ওঠে। এই দু’টি বিষয়ে স্যাটকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্টের ৩১ আগস্ট তারিখের রায়ে দু’ মাসের মধ্যে স্যাটকে ডিএ মামলার নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হচ্ছে। ফলে নতুন বছর শুরু হওয়ার আগে ডিএ নিয়ে সুখবর শোনার আশা রাখছেন রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ