কোচবিহার-বর্ধমান: বিধানসভা ভোটের মুখে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত গেরুয়া শিবিরের৷ তুফানগঞ্জ পুরসভার ৩ বিজেপি নেতাকে সাসপেন্ড করল বিজেপি৷ এছাড়া বর্ধমানে জেলা সভাপতিকে শো-কজ দলের৷ ভোটের মুখে গেরুয়া শিবিরেও আদি-নব্য দ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে৷

পাশাপাশি অনেকেই দলবিরোধী কাজ করছে বলে খবর৷ এরপরই নড়েচড়ে বসে রাজ্য বিজেপি৷ বিজেপি সূত্রের খবর,দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তুফানগঞ্জ পুরসভার ৩ বিজেপি নেতাকে সাসপেন্ড করেছে দল৷

এরা হলেন বুথ সভাপতি জয়ন্ত মজুমদার, লক্ষ্মণ কর্মকার ও মনোজয় কর্মকার।তাদেরকে এক বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে৷ কারণ দলের নাম ভাঙিয়ে নানা অনৈতিক কাজ করছিলেন এই ৩ জন৷ পাল্টা অভিযোগ সাসপেন্ডেড বিজেপি নেতাদের৷

তাদের দাবি, দলের নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজিতে বাধা দেওয়ায় এই ঘটনা৷বিজেপির অন্দরের কোন্দল সামনে আসতেই কটাক্ষ করতে দেরি করেনি তৃমমূল। কোচবিহারের তৃণমূল সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেছেন, নব্য ও আদি বিজেপি কর্মীদের মধ্যে গন্ডগোল লেগেই আছে৷ অন্যদিকে বিজেপির পার্টি অফিসে গণ্ডগোলের ঘটনায় জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী সহ ১৪ জনকে শো-কজ করল দল।

শনিবার বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় শোকজের চিঠি পাঠিয়েছেন। তাতে দলের সংবিধানের ২৫ এ এবং ২৫ সি ধারায় শো-কজ করার কথা জানানো হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে শো-কজ এর উত্তর দিতে বলা হয়েছে।

অন্যথায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে দল থেকে বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নির্দেশেই যে শো-কজ করা হয়েছে তা জানানো হয়েছে চিঠিতে। শোকজের চিঠি প্রাপ্তির কথা জেলা সভাপতি স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি।

তবে, শুনেছি শোকজ করা হয়েছে। এর বেশি কিছু বলব না। বেশ কিছুদিন ধরে জেলায় বিজেপির অন্দরে নব্য ও আদিদের বিরোধ দেখা দিয়েছে। দলে পুরানোদের গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে। জেলা সভাপতি বিভিন্ন মণ্ডলে নিজের পছন্দের লোকজনকে সভাপতি ও অন্যান্য পদে বসিয়েছেন বলে অভিযোগ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।