লন্ডন: করোনার জেরে স্তব্ধ বাইশ গজ। ফের কবে গড়াবে ক্রিকেট মাঠে বল? এপ্রসঙ্গে নানা মুনির নানা মত। তবে করোনাকে হারিয়ে বাইশ গজে ক্রিকেট ফিরলে যেন ক্রিকেটের মানের সঙ্গে কোনওরকম আপোস না করা হয়। সাফ জানালেন ইংরেজ টেস্ট অধিনায়ক জো রুট। ইংরেজ অধিনায়কের কথায় করোনা পরবর্তী সময় ক্রিকেটকে যদি তাঁর সেরা ফর্মে না ফেরানো যায় তাহলে সেটা ক্রিকেটের প্রতি অন্যায় করা হবে।

করোনা একাধিক বদল নিয়ে আসবে জেন্টলম্যান’স গেমে। ইতিমধ্যেই বলে লালা কিংবা ঘাম ব্যবহারে রাশ টানার বিষয়ে অনেকটাই এগিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা। পুরো বিষয়টা মাথায় রেখেও স্কাই স্পোর্টসের একটি শো’য়ে সম্প্রতি রুট বলেছেন, ‘যদি ক্রিকেটের মানের সঙ্গে কোনওরকম আপোস করা হয় তাহলে ভবিষ্যতের জন্য সেটা খুব খারাপ হবে।’ রুটের আরও মত, ‘টেস্ট ক্রিকেটের মানকে যদি তার সর্বোচ্চ স্তরে পুনরায় ফিরিয়ে না নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় তাহলে আমাদের খেলা উচিৎ নয়। এটা ক্রিকেটের প্রতি অন্যায় হবে।’

রুট বলছেন, ‘ক্রিকেটে বল পরিবর্তন নিয়ে কথাবার্তা চলছে। এছাড়া অন্যান্য অনেক পরিবর্তনই হয়তো লক্ষ্য করব আমরা। নিরাপত্তার জন্য ঠিক কী কী পরিবর্তন আসতে চলেছে দেখার অপেক্ষায় রয়েছি। হয়তো এমনও হতে পারে যে বলে কোনও সিম রইল না ভবিষ্যতে। স্বাভাবিকভাবেই বল খুব একটা নড়াচড়াও করবে না।’ তবে নিরাপত্তার কথা ভেবে যাই পরিবর্তন আনা হোক না কেন, টেস্ট ক্রিকেটার মাহাত্ম্য যেন ক্ষুণ্ণ কোনওভাবেই না হয়। এমনটাই মত রুটের।

ভারত সহ অন্যান্য দেশ যখন করোনার জেরে দেশে ক্রিকেট চালুর ভাবনা থেকে কয়েক যোজন দূরে, ঠিক তখনই ক্রিকেটারদের প্রি-সিজন চালু হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায়। দেশের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ‘দ্য সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’ সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছে। তবে ক্রিকেটারদের এক্ষেত্রে যেতে হবে একাধিক প্রোটোকলের মধ্যে দিয়ে। যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে বলে লালা এবং ঘাম ব্যবহারের বিষয়টি।

কড়া পর্যবেক্ষণের মধ্যে দিয়ে চলতি মাসের শেষ দিকে অনুশীলনে ফিরবেন স্টিভ স্মিথ, ডেভিড ওয়ার্নাররা। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তরফ থেকে এমন সিদ্ধান্তই গৃহীত হয়েছে। গোটা বিষয়টি তদারকির দায়িত্বে থাকবেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চিফ মেডিকেল অফিসার ড: জন অর্চার্ড এবং মেডিকেল সায়েন্স প্রধান অ্যালেক্স কান্টোরিস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।