দেরাদুন: দেশ জুড়ে করোনা আতঙ্কের কারণে কেন্দ্রের তরফে জারি করা হয়েছিল লক ডাউন। তবে তারই মধ্যে দেরাদুনের এক হোস্টেলে আটকে পড়া ৯ বছরের পড়ুয়াকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল এক ওয়ার্ডেনের বিরুদ্ধে। ওই পড়ুয়া ক্লাস থ্রির পড়ুয়া বলেও জানা গিয়েছে। তবে স্কুল হোস্টেলে এই জাতীয় ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠেছে স্কুল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

লকডাউনের কারণে আটকে পড়ায় ওই নাবালিকা নিজের বাড়ি ফিরতে পারে নি। রয়ে গিয়েছিল হোস্টেলেই। জানা গিয়েছে ওই ছাত্রীর অভিভাবক উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। তাই সেখান থেকে নিজের সন্তানকে নিতে আসতে পারেননি। সেই কারণে সে একাই রয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অবশেষে শনিবার ওই শিশুটির অভিভাবক দেরাদুন পৌঁছলে শিশুটি তাদের সব জানায়। আর তারপরে ওই ওয়ার্ডেনের বিরুদ্ধে থানাতে অভিযোগ দায়ের করেন।

ওই শিশুটির মা সম্পূর্ণ ঘটনাটি ডিএম এবং এসএসপিকে বিস্তারিত ভবে সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন।

এমনকি শিশুটি কোন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছে তাও জানিয়েছেন। ওই শিশুটির অভিভাবক স্থানীয়রাইপুর পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগেও এই একই ঘটনা ঘটেছিল বলে জানিয়েছে ওই শিশুটি। অন্য এক ছাত্র তাকে শ্লীলতাহানি করেছিল বলেও জানানো হয়।

স্কুলের ভিতরে কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়েও তদদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ। তবে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে শিশুটি লোক ডাউনে একাই হোস্টেলে থাকত। অভিযুক্ত ওয়ার্ডেনকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে গ্রেফতার করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.