শিলিগুড়ি:  শেষ দেড়মাস যাবৎ শিলিগুড়ি ট্রেজারি অফিস থেকে ১০ টাকা দামের স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তি শিকার হতে হচ্ছে সাধারন মানুষকে। বাধ্য হয়ে মানুষকে কিনতে হচ্ছে ২০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপার। আর এর জেরেই সাধারন মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। স্ট্যাম্প পেপারের মধ্যে সবচাইতে বেশী চাহিদা ১০ টাকা দরের পেপারের। এই পেপার সংগ্রহের জন্য প্রায়শই লম্বা লাইন পরে যায়,শিলিগুড়ি মহকুমা শাসকের অফিসের পাশে মহুরিদের ঘরের সামনে। যেখান থেকে মূলত বিক্রি করা হয়,বিভিন্ন দরের স্ট্যাম্প পেপার। কিন্তু ১০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপার নেই এই কথা শুনতেই মাঝে মধ্যেই ক্ষেপে যান বহু গরীব মানুষ। কারন ছোট একটা কাজের জন্য অনেকেই ২০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপার কিনতে চাননা।
স্ট্যাম্প পেপার ভ্যান্ডার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি স্বপন সরকার জানান, সবচাইতে বেশী চাহিদা ১০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপারের। এক একদিন আমরা প্রায় হাজার খানেক ১০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপারও বিক্রি করেছি। কিন্তু শেষ প্রায় দেড় মাস যাবৎ ট্রেজারি বিল্ডিং থেকে ১০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার দেওয়া হচ্ছে না।একই কথা জানান পশ্চিমবঙ্গ 'ল' ক্লাকর্স এসোসিয়েশনের শিলিগুড়ি ইউনিটের সাধারন সম্পাদক মৃন্তুনজয় সরকার। তিনি বলেন, ১০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপার না থাকায় সবচাইতে বেশী সমস্যায় পরতে হচ্ছে গরীব মানুষদের। আমরা এই বিষয়টি ট্রেজারি অধিকারিকদের বহুবার জানিয়েছি। কিন্তু তারা আজকাল করে বিষয়টি এড়িয়ে যান।এমন চলতে থাকলে আমাদের সংগঠনের তরফে এই মর্মে মহকুমাশাসককে একটি স্মারকলিপি দেব।কারন আমাদের কাছে খবর নিত্যদিন বহু মানুষ ১০ টাকার বদলে ২০ টাকার স্ট্যাম্প পেপার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। বিভিন্ন সময় ১০ টাকা দরের স্ট্যাম্প পেপার নিয়ে কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। তবে এমন কোন অভিযোগ মৃন্তুনজয় বাবুর কানে আসেনি বলে দাবি।

অপরদিকে এই প্রসঙ্গে শিলিগুড়ির মহকুমাশাসক রাজেনবীর সিং কাপুর বলেন,স্ট্যাম্প পেপার গুলি মূলত কলকাতা থেকে সরবরাহ করা হয়।কেন ১০ টাকা দামের স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহের ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছে সেই বিষয়ে আমি খুব শীঘ্রই ট্রেজারি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলব।আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।