ইন্দোর: নৃশংস আক্রমণের জেরে ইন্দোরের সরকারি হাসপাতালে মারা গিয়েছে এক সদ্যজাত কন্যাসন্তান। ওই সন্তানের ঘাড়ে, বুকে এবং নিম্নাঙ্গে ছয়বার ধারালো জিনিস দিয়ে আক্রমণ করাতেই এই ঘটনা ঘটেছে, এমনটাই জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের কর্মীরা আপ্রান চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারেননি ওই শিশুটিকে।

এমওয়াই হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক ও কর্মীরা চেষ্টা করেছিলেন শিশুটিকে বাঁচাতে। কিন্তু ক্ষত এতটাই গভীর ছিল বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ওই হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক বিভাগের প্রধান ডঃ ব্রিজেশ লাহোতি জানিয়েছেন এই ধরণের নৃশংস আক্রমণ এর আগে দেখেননি। সামান্য কয়েকদিনের এক শিশুর উপরে কীভাবে এই ধরণের আক্রমণ কেউ করতে পারে তাই নিয়ে অবাক হয়েছেন তিনি।

ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের এখনও শনাক্ত করতে পারেনি সেখানকার পুলিশ আধিকারিকেরা। এমনকি ওই শিশুটির অভিভাবকেরাও বুঝে উঠতে পারছেন না কে এই কাজটি ঘটিয়েছে।

যদিও শিশুটির বাবা এবং এক কাকু জানিয়েছিলেন ঘটনার সময়ে তাঁরা বাড়িতে ছিলেন না। তাঁর মাও পরোক্ষ ভাবে জানিয়েছিলেন এই ঘটনার সঙ্গে তিনিও যুক্ত নয়। তাহলে কে এই নৃশংস কাজটি করেছে তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।

শিশুটির মা জানিয়েছিলেন তিনি যখন ওই শিশুটির শরীর থেকে কাপড় সরিয়েছিলেন দেখেছিলেন তার সারা শরীর রক্তে ভিজে গিয়েছে। দ্রুত স্থানীয় চিকিতসাকেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ইন্দোরের এমওয়াই হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে গিয়েও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ওই হাসপাতালের চিকিতসকেরা আপ্রান চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারেননি দুধের শিশুটিকে।