স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শিক্ষামন্ত্রীর পর এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অদূরে বিক্ষোভে বসলেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা৷ হাতে প্ল্যাকার্ড, পোস্টার নিয়ে মঙ্গলবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা৷

গত সপ্তাহেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির অদূরে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা বিক্ষোভে বসেছিলেন৷ ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় মুখ্যমন্ত্রী বাড়ির সামনে বিক্ষোভে বসলেন তাঁরা৷  আন্দোলনকারীদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা না করে তাঁরা ফিরবেন না। নিজেদের ভবিষ্যৎ জানতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান তাঁরা। পুলিশ প্রশাসনের কর্তা-ব্যক্তিদের হাজার অনুরোধ, উপরোধেও অনড় মনোভাব নিয়ে মমতার বাড়ির সামনে ধর্নায় বসে থাকেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ‘২০১৬ সালে এসএসসি পাস করলে এবং মেধা তালিকায় নাম থাকলেও নিয়োগ হয়নি। ২০১৯ সালে প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান আন্দোলন তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনও কথা রাখা হয়নি। যদিও মেধা তালিকার পিছনের দিকে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পেয়ে গিয়েছেন।‘

রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগের দাবি তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়েছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী। ‌২০১৬ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগের পরীক্ষা হয়েছিল। তারপর মেধা তালিকা তৈরি হলেও এরপর প্রায় পাঁচ বছর কেটে গেলেও ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। ফলে এইসব চাকরিপ্রার্থীদের পথে নামতে দেখা গিয়েছে। ওইসব চাকরিপ্রার্থীদের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে  মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন সুজন চক্রবর্তী। ওই চিঠিতে সুজনবাবু জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে এইসব চাকরিপ্রার্থীদের প্রেসক্লাবের সামনে ২৯ দিন ধরে অনশনে বসেছিলেন। সেই আন্দোলনের সময় মুখ্যমন্ত্রী তাদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করে আশ্বাস দিয়েছিলেন একজন পরীক্ষার্থীরও নিয়োগ বাতিল হবে না। এজন্য প্রয়োজন হলে নিয়ম বদলে কথাও বলা হয়েছিল । কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি । কয়েকজন চাকরি পেলেও অধিকাংশই তা থেকে বঞ্চিত থেকে গিয়েছেন বলে‌ অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, সাঁওতালি ভাষার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে এসএসসির। কমিশনের সুপারিশ মোতাবেক ইতিমধ্যেই নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। সূত্রের খবর শূন্যপদ প্রায় ৫০০ টি ছিল।যেখানে ৫০ শতাংশেরও বেশি শূন্যপদের তালিকা প্রকাশ করতে পারিনি এসএসসি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।