কলকাতা: SSC-র চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারির বিরুদ্বে আদালত অবমাননার নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। শুক্রবার রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিরুদ্ধে করা মামলায় এমনি নির্দেশ দিলেন বিচারপতি শেখর ববি সারাফের সিঙ্গেল বেঞ্চ।

৪০ বছর পেরিয়ে গেলে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসতে পারবে না নির্দেশিকা স্কুল সার্ভিস কমিশনের। যদিও ২০১১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত উচ্চ প্রাথমিক কোন শিক্ষক বা শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়নি।

মামলার বয়ান অনুযায়ী মামলাকারি মানসী পাল সহ ১১ জন মামলাকারির পক্ষের আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরী জানান, উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক, শিক্ষিকাদের তথ্য যাচাইয়ে ডাকা না হওয়ার কারণ হিসেবে এসএসসি জানায় এই ১১ জন চাকুরী প্রার্থীর বয়স পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এরা সকলেই পরীক্ষায় পাশ করেছিল কিন্তু চাকুরী পাননি।

রাজ্য সরকার উচ্চ প্রাথমিকে সে সময় নিয়োগ করতে না পারায় ২০১৫ সালে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায় যাঁরা উত্তীর্ণ প্রার্থী তাদের পরবর্তী কালে নিয়োগের সময় বয়স পেরিয়ে গেলেও তারা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে এই উত্তীর্ণ প্রার্থীদের বয়স সীমা বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

সেই হিসেবে এসএলএসটি ২০১৬ সালে উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের আবেদন করেন এই ১১ জন উত্তীর্ণ প্রার্থী আবেদন করেন এবংএই উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আড়াইশো টাকা করে তাদের যোগ্যতার প্রমান পত্র যাচাই এর জন্য জমা দেয় এসএসসি কর্তৃপক্ষের কাছে। তারই মাঝে ২০ই সেপ্টেম্বর এসএসসি একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলে যাদের বয়স ৪০ বছর পেরিয়ে গিয়েছে তারা উচ্চ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। ৮ ই জুন ২০১৮ সালে উচ্চ প্রাথমিকের যে তালিকা প্রকাশ হয় তাতে এই ১১ জনের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।

SSC এই দ্বিচারিতা নিয়েই ২০১৮ সালে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। ১৬ ই জানুয়ারি ২০১৯ সালে বিচারপতি শেখর ববি সারফ স্কুল সার্ভিস কমিশন কে নির্দেশ দেয় ২০১৫ সালে বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী এই চাকরিপ্রার্থীদের অতিক্রান্ত হলেও তাদের ভেরিফিকেশন প্রসেস রাখতে হবে কিন্তু হাইকোর্টের এই নির্দেশ এসএসসি কর্তৃপক্ষ এবং চাকরিপ্রার্থীদের ডাকেনি।

শুক্রবার বিচারপতি শেখর ববি সারফ স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সেক্রেটারি কে আদালত অবমাননার রুল জারি করার নির্দেশ দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।