স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: তৃণমূলের নেতানেত্রীদের দেখলেই এখন জয় শ্রী রাম স্লোগান দিচ্ছে বিজেপি। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে ঘাস ফুল শিবিরের অন্যান্য অনেক নেতানেত্রীরা এই ধরণের বিড়ম্বনায় পড়েছেন। বিজেপিকে পালটা ‘জয় হিন্দ’ স্লোগান দেওয়া শুরু করেছে তৃণমূল।

এই স্লোগান ঘিরে উত্তপ্ত বংগ রাজনীতি। এরই মাঝে জয় হিন্দ স্লোগান নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্র সিং আলুওয়ালিয়া। তিনি বলেছেন, “জয় হিন্দ স্লোগান তো নেতাজির স্লোগান। সেই নেতাজির বাড়ি সংস্কার করতে বাধা দিয়েছিল তৃণমূল। সিন্ডিকেডের নামে তোলাবাজি চালানো হয়। আর তাঁর স্লোগান নিচ্ছেন উনি(মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়)?”

লোকসভা নির্বাভনের প্রচারে এসে এই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী নির্মলা সীতারামন। তৃণমূলকে আক্রমণ করে তিনি বলেছিলেন যে বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তোলাবাজির শেষ সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার বসু পরিবারও রেহাই পায়নি। নির্মলার অভিযোগ দক্ষিণ কলকাতায় নেতাজির বাড়ি সংস্কার করার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। সিন্ডিকেট মাফিয়া এবং তোলাবাজরা এসে হাজির হলো। ওই বাড়িতে একজন সাংসদ ছিলেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ (তৃণমূল সাংসদ এবং নেতাজি পরিবারের সদস্য সুগত বসুর নাম করেননি নির্মলা)।

একই সঙ্গে নির্মলাদেবী আরও বলেছিলেন যে তৃণমূলের সাংসদের কথাতেও কর্ণপাত করেনি তোলাবাজরা। এরপর তিনি বলেন, আরে এটা নেতাজির বাড়ি। নেতাজিকে স্বাভাবিকভাবেই চিনতে পারেনি তোলাবাজরা। নির্মলার বক্তব্য, শেষ পর্যন্ত ওই সাংসদ বিদেশে চলে যান। যেই রাজ্যে নেতাজির বাড়িও তোলাবাজদের দখলে চলে যায়, সেই রাজ্যে সাধারণ মানুষের বাড়ির নিরাপত্তা কোথায়?

সোমবার সেই বিষয়টিকেই ফের খুঁচিয়ে তোলেন বিজেপি সাংসদ সুরেন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর প্রথম বর্ধমান শহরে পা রাখলেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা আসনের বিজেপি সাংসদ সুরেন্দ্রজিৎ সিং আলুওয়ালিয়া। এদিন বর্ধমান ষ্টেশনের মেহেদিবাগান থেকে শোভাযাত্রা সহকারে তিনি বর্ধমান টাউন হলে পৌঁছান। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রীতিমত আবেগ আপ্লুত হয়ে কেঁদেও ফেলেন।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন আলুওয়ালিয়া মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জয় শ্রী রাম নিয়ে উগ্র মনোভাবের সমালোচনাও করেছেন। তিনি বলেন, কাঁকর দিয়ে লাড্ডু দিয়ে মোদির দাঁত ভাঙবেন বলেছিলেন। এখন কার দাঁত ভাঙছে দেখতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।