কলকাতা- পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও বাংলাদেশের অভিনেত্রী মিথিলার রিসেপশনে বসেছিল তারকাদের মেলা। স্বভূমির রাজকুটিরে রিসেপশন পর্ব সেরে সৃজিত পরের দিনই দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছে যান কাকাবাবুর প্রত্যাবর্তন-এর শ্যুটিং-এর জন্য।

সৃজিত এমনিতেই খাদ্যরসিক মানুষ। বিশ্বের যেখানেই যান, সেখানকার খাবার চেখে দেখেন। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কাজের ফাঁকেই তাই পৌঁছে গিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রেস্তোঁরা কার্নিভোর দ্য রেস্টরেন্ট-এ। রেস্তোঁরার নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এখানে রয়েছে নানা রকম মাংসের সম্ভার। বাংলার মুখুজ্জে বাবুও সেই নানা রকমের মাংস কবজি ডুবিয়ে খেয়েছেন।

সৃজিত নিজেই ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন কী কী মাংস খেয়েছেন তিনি। সেই মেনুতে রয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার হরিণ প্রজাতির পশু কুডুর মাংস। কুডু মিট বলসও ছিল মেনুতে। একই প্রজাতির পশু এলান্ডের বিরিয়ানি, স্প্রিংবক সামোসা, রোস্টেড ব্লেসবক। এছাড়াও মেনুতে ছিল গ্রিলড ক্রোকোডাইল, অর্থাৎ কুমিরের মাংস। জেবরার মাংসের স্টেকও চেখে দেখেছেন সৃজিত।

প্রসঙ্গত, রবিবার সৃজিত-মিথিলার রিসেপশনে বসেছিল চাঁদের হাট। রিসেপশনের মেনুতেও ছিল চমক। ছিল পিস পোলাও, রুটি, ডাল মাখানি, আলু ফুলকপির দম, পনির মাখানি, ফিশ ওরলি, কুলচা, কাবাব, চিংড়ির, মালাইকারি, মুর্গ জাফরানি কুর্মা, ঠাকুরবাড়ির কষা মাংস, কাঁচাগোল্লা, মিষ্টি দই, নানারকমের সালাড।

রিসেপশনে উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, গার্গী, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, সৌরসেনী, মাধবী মুখোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, অনুপম রায়, রূপম ইসলাম, রুদ্রনীল ঘোষ, অপর্ণা সেন, রাজ চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল ও বরখা ও আরও অনেকে। এদিন মিথিলা পরেছিলেন আটপৌড়ে কায়দায় একটি লাল রঙের শাড়ি। আর সৃজিৎ পরেছিলেন লাল রঙের ধুতির সঙ্গে একটি প্রিন্টেড পাঞ্জাবি।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।