কলকাতা: সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আক্রান্তের তালিকা ক্রমশ লম্বা হচ্ছে। সারা বিশ্বের মানুষ এই মারণ ভাইরাসের জেরে আতঙ্কে। ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ পেরিয়ে গিয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। আর এই অবস্থাতেই উদ্বিগ্ন সবাই। পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করলেন।

করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিনের পর দিন বেড়ে চললেও এখনো অনেকেই বাড়ি থেকে বের হচ্ছে। প্রশাসন থেকে যেখানে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেয়া হচ্ছে সেখানেও দেখা যাচ্ছে মানুষ ছুটি কাটাতে দিঘা পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন পরিচালক।

সৃজিত লিখছেন, অন্তিমের খুব কাছাকাছি আমরা। আমি যা দেখছি আর শুনছি, মানুষ এখনও রাস্তায় জড়ো হচ্ছে, ফুচকা খাচ্ছে, লাইনে দাঁড়িয়ে মাটন কিনছে, পৃথিবীর ব্যাপারে কোনো কাজ না করেই তারা ঘুরে বেড়াচ্ছে। দেশের রাষ্ট্রপতি ও জমায়েতের আয়োজন করছেন এবং তাতে একজন স্পোর্টস আইকন উপস্থিত থাকছেন। লোকজন সেজেগুজে কোয়ারেন্টাইন উদযাপন করতে হাউস পার্টি করছে। আমরা কি titanic-a বসে ভায়োলিন বাজাচ্ছি!

সদ্য বিদেশ থেকে ফিরেছেন সৃজিৎ। তাই চিন্তায় রয়েছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী তথা সৃজিত ঘরনি রফিয়াত রশিদ মিথিলা। ঘন ঘন তাই ভিডিও কলের মাধ্যমে স্বামীর খোঁজ রাখছেন তিনি। মেয়ে আইরাও বেশ চিন্তিত সৃজিৎকে নিয়ে। তাই নিয়ম করে পরিচালকের খোঁজ রাখছে সেই খুদেও।

আফ্রিকায় সেভাবে এখনও প্রভাব ফেলতে পারেনি করোনা। তাই বিমানবন্দর থেকে নেমে রাজারহাটের কোয়ারেন্টাইনে যাননি তিনি। বদলে নিজের বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে থাকছেন তিনি। এমনকী, বাড়িতে আসা বন্ধ হয়েছে গাড়ির চালকেরও। সৃজিতের মা-ও রয়েছেন অন্য বাড়িতে। ওই দিকে মিথিলাও গৃহবন্দি করেছেন নিজেকে। বাড়ি থেকেই কাজ করছেন তিনি। সেই ছবিও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী-সমাজকর্মী। কিন্তু সর্বপরি বিয়ের পরে একসঙ্গে থাকা হচ্ছেন তারকা দম্পতির।

প্রসঙ্গত, কলকাতায় ৪ জনের শরীরে কোভিদ ১৯ পাওয়া গিয়েছে। চতুর্থ ব্যক্তি দমদমের বাসিন্দা। তিনি এই মুহূর্তে সল্টলেক আমরি হাসপাতালে ভর্তি তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I