গুমনামী ছবি নিয়ে একের পরে এক বিতর্ক লেগেই রয়েছে। মুখার্জি কমিশনের তথ্যের উপর নির্ভর করে এই ছবি তৈরি করলেও পরিচালক সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়কে বার বার নিশানা করছেন চন্দ্রকুমার বসু-সহ বসু পরিবারের কয়েকজন সদস্য। নেতাজির জীবন ও কাজকে অবমাননা করার অভিযোগও এনেছেন তাঁরা। যদিও সৃজিৎ বার বার স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই ছবিতে অন্তিম কোনও সিদ্ধান্ত দেখানো হয়নি। বরং মুখার্জির কমিশনের তথ্য অনুযায়ী তিনটি থিওরিকেই তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আর তার জন্য পরিচালককে যথেষ্ট গবেষণাও করতে হয়েছে।

এসভিএফ-এর ইউটিউব চ্যানেলের একটি ভিডিওয় সৃজিৎ মুখোপাধ্যায় ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় দুজনেই জানিয়েছেন এই ছবি করার আগে অনেক পড়াশোনা করতে হয়েছে। সৃজিৎ বলছেন, অনেক গবেষণা করতে হয়েছে অবশ্যই। তিনটি থিওরির আলাদা করে গবেষণা করতে হয়েছে। মুখার্জি কমিশনকেও রিক্রিয়েট করতে হয়েছে। কিছুটা দিল্লিতে হয়েছিল। কিছুটা কলকাতার মহাজাতি সদনে হয়েছিল। কলকাতার মহাজাতি সদনেই সেই শ্যুটিং হয়েছে।

সৃজিৎ আরও জানান, মুখার্জি কমিশনের সময়ে একজন অ্যাটেনড্যান্ট ছিলেন। তিনি মুখার্জি কমিশনের দৃশ্য রিক্রিয়েট করতে অনেকটা সাহায্য করেছেন।

এই ভিডিওয় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও তাঁর অভিনয়ের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। প্রসেনজিৎ বলছেন, গুমনামীতে অভিনয় করার কথা প্রথম যেদিন সৃজিৎ বলেন, সেদিনই খুব এক্সাইটেড হয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরে বুঝলাম বিষয়টা বেশ কঠিন। প্রায় ৬ মাস ধরে বিষয়টা নিয়ে হোমওয়ার্ক করতে হয়। মেকআপ ম্যানের বড় ভূমিকা ছিল।

প্রসেনজিৎ জানান, প্রথম যেদিন তাঁর শট ছিল, সেদিন তিনি বেশ ভয়ে ছিলেন। কিন্তু সৃজিৎ ভালো বলার পরে বুঝেছিলেন ঠিক দিকেই যাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, আগামী ২ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি। ছবিতে প্রসেনজিৎ ছাড়াও অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। তাঁকে অনুজ ধরের চরিত্রে দেখা যাবে।