লাহোর: ঘরের মাঠে আক্ষরিক অর্থে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফেরানোর স্মৃতি মধুর হল না পাকিস্তানের। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজ জিতলেও তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজে মুখ থুবড়ে পড়ল পাকিস্তান। টি-২০ সিরিজ আগেই হেরে বসেছিল সরফরাজরা। নিয়মরক্ষার তৃতীয় টি-২০ ম্যাচেও হেরে বসায় সিংহলিদের কাছে হোয়াইটওয়াশ হতে হল পাক ক্রিকেট দলকে।

লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ টি-২০ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময় ১৪৭ রান তোলে তারা। দুরন্ত হাফ-সেঞ্চুরি করেন ওশাদা ফার্নান্ডো। মহম্মদ আমের অনবদ্য বোলিং করেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময় ১৩৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি। হ্যারিস সোহেল হাফ-সেঞ্চুরি করলেও বাকিরা কেউই তাঁকে যথাযথ সঙ্গ দিতে পারেননি। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার আঁটোসাটো বোলিংয়ে বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি পাক ব্যাটসম্যানরা। শ্রীলঙ্কা ১৩ রানের ব্যবধানে তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে জয় তুলে নেয় এবং ৩-০ ব্যবধানে সিরিজের দখল নেয়।

শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ফার্নান্ডো। ৪৮ বলের ইনিংসে তিনি ৮টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন। বাকিদের মধ্যে দুই অঙ্কের রান বলতে সমরাবিক্রমের ১২, অ্যাঞ্জেলো পেরেরার ১৩ ও ক্যাপ্টেন দাসুন শানাকার ১২। গুনাতিলকে ৮, রাজাপক্ষে ৩, মধুশঙ্কা ১ ও হাসারাঙ্গা ৬ রান করে আউট হন। মহম্মদ আমের ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন। ১টি করে উইকেট নেন ইমদ ওয়াসিম ও ওয়াহাব রিয়াজ।

পাকিস্তানের হয়ে ব্যাট করতে নেমে ৫০ বলে ৫২ রান করে আউট হন হ্যারিস সোহেল। তিনি ৪টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন। বাবর আজম করেন ৩২ বলে ২৭ রান। ক্যাপ্টেন সরফরাজ ১৬ বলে ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ইফতিকার আহমেদ ১৭ ও ওয়াহাব রিয়াজ ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

হাসারাঙ্গা ২১ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। ২৪ রানে ২টি উইকেট নিয়েছেন লাহিরু কুমারা। ১৭ রানে ১টি উইকেট রজিথার। ম্যাচের সেরা হয়েছেন হাসারাঙ্গা। সিরিজ সেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি।