কলম্বো: সারবত্তাহীন এক অভিযোগের ভিত্তিতে অরবিন্দ ডি’সিলভা, কুমার সঙ্গাকারাদের মতো দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের হেনস্থা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার এমনই দাবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন বিরোধী দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী সাজিথ প্রেমদাসা। সঙ্গাকারাকে জিজ্ঞাসাবাদকালীন শ্রীলঙ্কা ক্রীড়ামন্ত্রকের কার্যালয়ের বাইরে দেশের তারকা ক্রিকেটারদের হেনস্থার ঘটনায় বিক্ষোভও দেখায় দেশের বিরোধী দলের যুব শাখার সদস্যরা।

শুক্রবার উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে ২০১১ বিশ্বকাপ নিয়ে তদন্ত বন্ধ করল শ্রীলঙ্কা ক্রীড়ামন্ত্রক। ক্রীড়ামন্ত্রকের বিশেষ তদন্তকারী সংস্থা কুমার সঙ্গাকারা ছাড়াও তদন্তের স্বার্থে অরবিন্দ ডি’সিলভা এবং মাহেলা জয়বর্ধনেকেও জেরা করে। কিন্তু ২০১১ বিশ্বকাপের সঙ্গে যক্ত প্রাক্তন ক্রিকেটারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কোন উপযুক্ত প্রমাণই জোগাড় করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থে। সেকারণেই তদন্ত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রীড়ামন্ত্রক।

দেশের ক্রীড়ামন্ত্রকের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার ৮ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে ম্যারাথন পুলিশি জেরার মুখে পড়েন কিংবদন্তি। সঙ্গাকারা সহ তারকা ক্রিকেটারদের জিজ্ঞাসাবাদের বিরোধীতা করে সাজিথ প্রেমদাসা টুইটে লেখেন, ‘কুমার সঙ্গাকারা সহ দেশের ক্রিকেট তারকাদের ধারাবাহিক হেনস্থার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এব্যাপারে সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত নিন্দনীয়।’ বৃহস্পতিবার সঙ্গাকারার বয়ান রেকর্ডও করে পুলিশ। এরপর শুক্রবার ক্রীড়ামন্ত্রকের কার্যালয়ে হাজিরা দেন মাহেলা জয়বর্ধনেও। তাঁকেও জিজ্জগাসাবাদ করা হয়। কিন্তু প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দা আলুথগামাগের অভিযোগের স্বপক্ষে কিছুই পায়নি তারা।

২০১১ ভারতের মাটিতে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল নাকি আয়োজক দেশকে বেচে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। গত মাসে এমনই মন্তব্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মহিন্দানন্দা আলুথগামাগে। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর এহেন অভিযোগকে হালকাভাবে নেয়নি দ্বীপরাষ্ট্রের ক্রীড়ামন্ত্রক। কালবিলম্ব না করে ২০১১ বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল তারা।

প্রাথমিকভাবে ক্রীড়ামন্ত্রীর অভিযোগ কটাক্ষ করেছিলেন শ্রীলঙ্কার দুই কিংবদন্তি ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনে ও কুমার সঙ্গাকারা। জয়বর্ধনে সাফ জানিয়েছিলেন, ‘সামনেই নির্বাচন। তাই সার্কাস শুরু হয়ে গিয়েছে।’ ২০১১ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক ছিলেন সঙ্গাকারা, যিনি ভারতের কাছে হারের পরেই নেতৃত্ব ছেড়ে দেন তিনি। তিনি জানিয়েছিলেন এই রাজনৈতিক নেতার উচিত আইসিসি-র আন্টি করাপশন বিরোধী ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ