চেন্নাই: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসাতে হল আরও এক প্রাক্তন ক্রিকেটারের৷ তিনি হলেন কিংবদন্তি অফ-স্পিনার মুথাইয়া মুরলীধরন৷ তবে কিংবদন্তি এই স্পিনারের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে৷ সোমবারই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে৷

শনিবার চেন্নাইয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে তাদের তৃতীয় ম্যাচ খেলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ৷ এই ম্যাচেও হারে ডেভিড ওয়ার্নারের দল৷ টানা তিন ম্যাচ হেরে ২০২১ আইপিএল শুরু করল ২০১৬ চ্যাম্পিয়নরা৷ এদিনই ৪৯ বছর জন্মদিন সেলিব্রেশন করেছন মুরলীধরন৷ রবিবার অস্বস্তি অনুভব করায় চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সানরাইজার্সের হায়দরবাদের এই কোচিং স্টাফকে৷

চিকিৎসকরা সৌরভের মতোই মুরলীধরনের হৃদযন্ত্রে ব্লক সরাতে আঞ্জিওপ্লাস্টি করার সিদ্ধান্ত৷ কালবিলম্ব না-করে রবিবার কিংবদন্তি এই ক্রিকেটারের হৃদযন্ত্রে স্টেন্ট বসানো হয়৷ সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সিইও এক বিবৃতি দিয়ে জানান, ‘আইপিএলের জন্য ভারতে আসার আগেই শ্রীলঙ্কাকে তাঁর হৃদযন্ত্রে ব্লকেজ ধরা পড়েছিল৷ সেখানে চিকৎসকদের পরামর্শ নিয়েছিলেন তিনি৷ সে সময় তাঁর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছিলেন৷ কিন্তু এদিন ফের অসুস্থবোধ করায় চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ে৷ চিকিৎসকরা দ্রুত অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করার সিদ্ধান্ত নেন৷ এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে৷ কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি মাঠে ফিরতে পারবেন৷’

গত মরশুমের আইপিএল চলাকালীনই ধারাভাষ্য দিতে এসে মুম্বইয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন প্রাক্তন অজি ক্রিকেটার ডিন জোন্স। সেই ঘটনার কথা মনে করে রবিবার মুরলীধরনকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ ফলে বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। চলতি বছরের শুরুতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট তথা প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ে৷ চিকিৎসকরা সৌরভের হৃদযন্ত্রে তিনটি স্টেন্ট বসান৷ কিছুদিন বিশ্রামের পর ফের স্বাভাবিক কাজকর্মে ফেরেন সৌরভ৷

২০১৫ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলে যোগ দেন টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক মুরলীধরন৷ শ্রীলঙ্কার হয়ে ১৩৩টি টেস্টে ৮০০ উইকেট এবং ওয়ান ডে ক্রিকেটে ৫৩৪টি উইকেট র‍য়েছে কিংবদন্তি এই অফ-স্পিনারের ঝুলিতে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.