কলম্বো: প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা৷ কোথায় গিয়ে থামবে মৃত্যু মিছিল বোঝা যাচ্ছে না৷ সানডে ইস্টারের দিন শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের তিনদিন পর মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ এ৷ আরও তা বাড়তে পরে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

ইতিমধ্যে বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে ৫৮ জনকে আটক করা হয়েছে৷ যাদের মধ্যে থেকে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে শ্রীলঙ্কা পুলিশ৷ দ্বীপরাষ্ট্র জুড়ে এখনও চলছে ধরপাকড়৷ মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী জানান, এখনও অনেক সন্দেহভাজন বিস্ফোরক নিয়ে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷

ধারাবাহিক বিস্ফোরণ থেকে শিক্ষা নিয়ে শ্রীলঙ্কা সরকার বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির কথা ভাবছে৷ কারণ এই হামলার পিছনে অনেক মহিলাকে ব্যবহার করা হয়েছে৷ যারা বিস্ফোরণ ঘটানোর পর বোরখা পড়ে পালিয়ে যায়৷ তদন্ত জানা যায়, দেমাতাগোড়াতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ঠিক এইভাবেই পালিয়ে যায় হামলাকারীরা৷ তারপরই ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির সাংসদ পার্লামেন্টে বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির পক্ষে সওয়াল করেন৷ জানান, দেশের সুরক্ষার স্বার্থে বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক৷ সাংসদের এই প্রস্তাবকে অনেক সাংসদই সমর্থন করেছে৷ তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুজিবর রহমানের নাম৷ জানান, তাঁর স্ত্রী বোরখা পরেন না৷ তাঁর সন্তানদেরও বোরখা পড়তে দেবেন না৷

এদিকে ভয়াবহ ধারাবাহিক বিস্ফোরণের দুদিন পরে ঘটনার দায় স্বীকার করল ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠন৷ সংগঠনের এএমএকিউ নামের সংবাদসংস্থায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনই জানানো হয়েছে৷ মঙ্গলবার এই নিউজ এজেন্সির তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সংবাদ মাধ্যমে৷

তবে আইএসের তরফ থেকে সরাসরি এই দায় স্বীকার করা হয়নি৷ এমনকি এই ঘটনায় জড়িত থাকার স্বপক্ষে কোনও তথ্য প্রমাণও দেওয়া হয়নি৷ রয়টার্সে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে খবর ইসলামিক স্টেটই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে৷