কলম্বো: সিরিজ জয় আগেই নিশ্চিত করেছিল শ্রীলঙ্কা৷ নিয়ম রক্ষার তৃতীয় ওয়ান ডে ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের বৃত্ত পূর্ণ করল সিংহলীরা৷

আর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা৷ কুশল মেন্ডিস ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ২৯৪ রানের বড়সড় ইনিংস গড়ে তোলে দ্বীপরাষ্ট্র৷ ব্যাট হাতে যথাযোগ্য অবদান রাখেন কুশল পেরেরা ও অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে৷ বাংলাদেশের হয়ে সফিউল ইসলাম ও সৌম্য সরকার পাল্লা দিয়ে উইকেট তোলেন৷

আরও পড়ুন: পাকিস্তান সফরের আগে নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চয়তা চাইলেন ভারত অধিনায়ক

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৩৬ ওভারে ১৭২ রানে অল-আউট হয়ে যায়৷ ব্যাট হাতে একা লড়াই চালান সৌম্য৷ শেষদিকে তাইজুল ইসলাম ব্যাট চালিয়ে কিছু রান যোগ করেন বটে, তবে দলকে জয় এনে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট ছিল না তাঁর প্রয়াস৷ দাসুন শানাকা শ্রীলঙ্কার হয়ে সব থেকে সফল বোলার ছিলেন৷ উইকেট তুলেছেন কাসুন রজিথা ও লাহিরু কুমারাও৷ শ্রীলঙ্কা ১২২ রানের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতে সিরিজের ফল নিজেদের অনুকূলে ৩-০ করে ফেলে৷

আরও পড়ুন: শাস্ত্রীকে নিয়ে কোহলির সওয়াল প্রভাবিত করবে না অ্যাডভাইসরি কমিটিকে: গায়কোয়াড়

সিরিজের প্রথম ২টি ম্যাচে ৪৮ ও অপরাজিত ৫২ রান করা ম্যাথউজ তৃতীয় ম্যাচে ৮৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ ৯০ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি৷ কুশল মেন্ডিস ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৫৮ বলে ৫৪ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷ এছাড়া পেরেরা ৪২ ও করুণারত্নে ৪৬ রানের যোদগান রাখেন৷ সৌম্য ও সফিউল ৩টি করে উইকেট নেন৷ ১টি করে উইকেট নিয়েছেন রুবেল হোসেন ও তাইজুল ইসলাম৷

আরও পড়ুন: নির্বাচকদের দূরদৃষ্টি না থাকলে হার্দিক-বুমরাহরা টেস্ট খেলত না: প্রসাদ

পালটা ব্যাট করতে নেমে টাইগারদের হয়ে সৌম্য একা করেন ৬৯ রান৷ তাইজুল ইসলাম ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন৷ বাকিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য রান করা করতে পারেননি আর কেউই৷ শানাকা ২৭ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন৷ ২টি করে উইকেট পেয়েছেন রজিথা ও কুমারা৷ ১টি করে উইকেট তুলেছেন ধনঞ্জয়া ও ডি’সিলভা৷ ম্যাচের সেরার পাশাপাশি সিরিজের সেরা পুরস্কারও হাতে তুলেছেন ম্যাথিউজ৷