কলম্বো: বড়সড় গাফিলতি ছিল তাদের তরফে৷ ভয়াবহ বিস্ফোরণের তিনদিন কেটে যাওয়ার পর স্বীকার শ্রীলঙ্কার৷ কার্যত পরপর আসা গোয়েন্দা রিপোর্টকে অবহেলা করার ফলই ভুগতে হচ্ছে তাদের, স্বীকার করছে শ্রীলঙ্কা সরকার৷ বুধবার গাফলতির কথা স্বীকার করার পরেই বিক্ষোভ শুরু হয় ক্ষতিগ্রস্তদের৷

শ্রীলঙ্কা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তবে এমন ঘটনা যে ঘটতে পারে সে আশঙ্কার কথা নাকি আগেই জানিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার পুলিশ প্রধান৷ টাইমস অব ইন্ডিয়া সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গিয়েছিল, পুলিশ প্রধান পুজুথ জয়সুন্দর শীর্ষ কর্তাদের আত্মঘাতী হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন৷ তাও আবার ১০ দিন আগে৷

আরও পড়ুন : ভারতে হামলার ছক করতে বৈঠক, পাকিস্তানে ফের সক্রিয় মাসুদ আজহার

রবিবারের বিস্ফোরণের বিষয়ে পুলিশ প্রধান সতর্কতাও জারি করেছিলেন দেশে৷ বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাও জানিয়েছিল National Thowheeth Jama’ath বা NTJ দেশের প্রধান গীর্জাগুলিকে টার্গেট করে আত্মঘাতী হামলা করতে পারে৷ টার্গেট করা হতে পারে কলম্বোর ইন্ডিয়ান হাই কমিশনও৷

তবে কোনও সতর্কবার্তাতেই কান দেয়নি শ্রীলঙ্কা সরকার৷ তার ফলই ভুগতে হচ্ছে এখন বলে মনে করছে তারা৷ এদিকে, চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে এই নিয়ম মেনেই ধারাবাহিক বিস্ফোরণ থেকে শিক্ষা নিয়ে শ্রীলঙ্কা সরকার বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির কথা ভাবছে৷ কারণ এই হামলার পিছনে অনেক মহিলাকে ব্যবহার করা হয়েছে৷ যারা বিস্ফোরণ ঘটানোর পর বোরখা পড়ে পালিয়ে যায়৷

আরও পড়ুন : ‘কাশ্মীরে মুসলিমদের নমাজ পড়তে দেওয়া হয়না’, বদলা নিতে লস্করে যোগ যুবকের

তদন্তে জানা যায়, দেমাতাগোড়াতে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ঠিক এইভাবেই পালিয়ে যায় হামলাকারীরা৷ তারপরই ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির সাংসদ পার্লামেন্টে বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারির পক্ষে সওয়াল করেন৷ জানান, দেশের সুরক্ষার স্বার্থে বোরখার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক৷ সাংসদের এই প্রস্তাবকে অনেক সাংসদই সমর্থন করেছে৷ তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মুজিবর রহমানের নাম৷ জানান, তাঁর স্ত্রী বোরখা পরেন না৷ তাঁর সন্তানদেরও বোরখা পড়তে দেবেন না৷

প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা৷ কোথায় গিয়ে থামবে মৃত্যু মিছিল বোঝা যাচ্ছে না৷ সানডে ইস্টারের দিন শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের তিনদিন পর মৃতের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫৯ এ৷ আরও তা বাড়তে পরে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

আরও পড়ুন : শ্রীলংকায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণে সন্ত্রস্ত নাগাভূমিতে রেড অ্যালার্ট

ইতিমধ্যে বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে ৫৮ জনকে আটক করা হয়েছে৷ যাদের মধ্যে থেকে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে শ্রীলঙ্কা পুলিশ৷ দ্বীপরাষ্ট্র জুড়ে এখনও চলছে ধরপাকড়৷ মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী জানান, এখনও অনেক সন্দেহভাজন বিস্ফোরক নিয়ে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।