হায়দরাবাদ: অসহায় আত্মসমর্পণ, নাকি বেপয়োরা ব্যাটিংয়ে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে আসা! নিজেদের কাঁধে চাপ বাড়িয়ে ম্যাচ থেকে কীভাবে ফিকে হতে হয়, উদাহরণ রোহিতের মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷

দলে রোহিত, ডি-কক, পান্ডিয়াদের মতো তাবড় নাম থাকলেও ব্যাটে এদিন তাঁদের কোনও অবদান নেই৷ সানরাইজার্সের শক্তিশালী বোলিংয়ের সামনে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত কুড়ি ওভারের শেষে ১৩৬ রান তুলল মুম্বই৷ ১৮তম ওভারে ভুবনেশ্বরের বলে রাশিদ, পোলার্ডের কঠিন ক্যাচ না ফেললে আরও অল্প রানেই মুম্বই ইনিংসের সলিলসমাধি নিশ্চিত ছিল৷

মুম্বইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন কাইরন পোলার্ড৷ আইপিএল ১৯ এ ফর্মে না থাকা পোলার্ডই এদিন মুম্বইকে একা হাতে টানলেন৷ ২৬ বল খেলে ২টি চার ও ৪টি ছয় হাঁকিয়ে মুম্বইকে লড়াই করার মতো রান তুলে দিলেন ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার৷

১৯তম ওভারে সিদ্ধার্থ কউলকে ২০ রান হাঁকান পোলার্ড৷ বিপর্যয়ের মাঝে পোলার্ডের এই ক্যামিও ইনিংসই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ফ্যানেদের মুখে একটু হলেও হাসি ফোটাল৷ মুম্বইয়ের হয়ে ডি’কক ১৯, হার্দিক ১৪ ও রোহিত ১১ রান করেন৷ ম্যাচ জিততে সানরাইজার্সের দরকার ১৩৭ রান৷

সানরাইজার্সের হয়ে দুটি উইকেট সিদ্ধার্থ কউলের৷ ভুবনেশ্বর, নবি, রশিদ ও সন্দীপ শর্মারা একটি করে উইকেট পেয়েছেন৷ উপ্পলে ওয়ার্নার-বেয়ারস্টোদের সামনে পাল্টা মুম্বই বোলাররা কেমন বল করেন, সেটাই এখন দেখার৷ মুম্বই দলে এদিন মালিঙ্গার পরিবর্তে লেখছেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান তরুণ পেসার আলঝারি জোসেফ৷ বেহারেনড্রফের সঙ্গে জুটিতে তাঁর বোলিংয়ের দিকেই তাকিয়ে মুম্বই৷ রোহিতকে ভরসা দিতে পারেন বুম বুম বুমরাহ৷