চেন্নাই: হারের হ্যাটট্রিক এড়াতে একাদশে চারটি পরিবর্তন এনে মুম্বইকে স্বল্প রানে বেঁধে রাখার লক্ষ্যে অনেকটাই সফল হয়ে গিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। কিন্তু শেষদিকে কায়রন পোলার্ডের ঝোড়ো ব্যাটিং কিছুটা পার্থক্য গড়ে দিল। ক্যারিবিয়ানের ২২ বলে ৩৫ রানের ক্যামিওতে ভর করে কোনক্রমে ১৫০ রানের গন্ডি ছুঁল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

পোলার্ড ছাড়া মুম্বইয়ের হয়ে ব্যাট হাতে সফল প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি’কক। তবে স্ট্রাইক-রেট আহামরি না থাকায় ডি’ককের ব্যাটে রানে গতি আসেনি। টস জিতে চেন্নাই’য়ের পিচে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ক্যাপ্টেন রোহিত শর্মা৷ শুরুটা ভালোই করেছিলেন ডি’কক-রোহিত জুটি। সপ্তম ওভারে দিলীয় ৫৫ রানের মাথায় আউট হন রোহিত। ২৫ বলে ৩২ রান করে বিজয় শংকরের শিকার হন মুম্বই অধিনায়ক।

এরপর সেই অর্থে আর লম্বা কোনও পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি মুম্বই’য়ের। গত ম্যাচে অর্ধশতরানকারী সূর্যকুমার ফেরেন ১০ রানে। ৩৯ বলে ৪০ রান করে আউট হন ডি’কক। ২১ বলে মাত্র ১২ রান করে মুম্বইয়ের রানের গতি অনেকটাই স্লথ করে দেন ইশান কিষাণ। ১৭তম ওভারের অন্তিম বলে ইশান যখন আউট হন দলের রান তখন ৪ উইকেটে ১১৪।

সানরাইজার্সকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে শেষের কয়েকটা ওভারে হাত খুলতেই হত কাউকে। সেই দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নেন কায়রন পোলার্ড। ১টি চার ৩টি ছয়ে সাজানো ক্যারিবিয়ানের ৩৫ রানের অপরাজিত ক্যামিও ইনিংসে ভর করে ৫ উইকেটে ১৫০ রান তুলে শেষ করে মুম্বই।

প্রথম দু’টি ম্যাচে হারের ধাক্কায় এদিন দলে চার-চারটি পরিবর্তন করে সানরাইজার্স৷ ঋদ্ধিমান সাহা, জেসন হোল্ডার, টি নটরাজন ও শাহবাজ নাদিমকে বসিয়ে সুযোগ দেওয়া হয়েছে বিরাট সিং, অভিষেক শর্মা, মুজির-উর রহমান ও খলিল আহমেদ৷ পরিবর্ত আফগান স্পিনার মুজিব এদিন জোড়া উইকেট নিয়ে সফল। ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ফের কৃপণ বোলিং রশিদের।  অন্যদিকে মুম্বই এদিন দলে একটি পরিবর্তন এনেছে। মার্কো জানসেনকে বসিয়ে তারা সুযোগ দিয়েছে অ্যাডাম মিলনেকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.