দুবাই: অবশেষে জয়ে ফিরল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ৷ বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখল ডেভিড ওয়ার্নারের দল৷ এই জয়ের ফলে ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠে এল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ৷ আর এই ম্যাচ হেরে ১১ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমে গেল রাজস্থান রয়্যালস৷

১৫৪ রান তাড়া করতে নেমেই শুরুতেই দুই ওপেনারকে হারায় সানরাইজার্স৷ প্রথম ওভারেই হায়দরাবাদ ক্যা্প্টেন ডেভিড ওয়ার্নাকে ডাগ-আউটে ফেরান জোফরা আর্চার৷ মাত্র ৪ রান করে ডাগ-আউটে ফেরেন ওয়ার্নার৷ নিজের দ্বিতীয় তথা ইনিসের তৃতীয় ওভারে অপর ওপেনার জনি বেয়ারস্টোকে ফিরিয়ে রাজস্থানকে ম্যাচ ফেরান আর্চার৷ মাত্র ১০ রান করে আর্চারের বল বোল্ড হন বেয়ারস্টো৷

এরপর অবশ্য রয়্যালসদের নিয়ে ছেলেখেলা করে হায়দরাবাদকে জেতালেন মনীশ পান্ডে ও বিজয় শংকর৷ তৃতীয় উইকেটে ১৪০ রানের অবিভিক্ত পার্টনারশিপে হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতে নেয় সানরাইজার্স৷ ১৮.১ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় হায়দরাবাদ৷ ব্যাট হাতে দুরন্ত মনীশ ও শংকর৷ দু’জনের হাফ-সেঞ্চুরি করেন৷

তবে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন মনীশ৷ ৪৭ বলে ৮৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি৷ ইনিংসে ৮টি ওভার বাউন্ডারি ও ৪টি বাউন্ডারি মারেন মনীশ৷ আর ৫১ বলে হাফ-ডজন বাউন্ডারি মেরে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন বিজয়৷ মাত্র ৯১ বলে দু’জনে ১৪০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে জেতান মনীশ ও বিজয়৷

এর আগে প্রথমে ব্যাাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস৷ রবিন উথাপ্পা ও বেন স্টোকস ওপেনিং জুটিতে ৩৩ রান যোগ করে৷ ১৩ বলে ১৯ রান করে রান-আউট হন উথাপ্পা৷ এরপর স্টোকস ও সঞ্জু স্যামসন দলের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান৷ স্যামসন ২৬ বলে তিনটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৬ রান করে হোল্ডারের শিকার হন৷ যিনি এদিন কেন উইলিয়ামসনের পরিবর্তে দল সুযোগ পান৷ আর সেটা দারুণভাবে কাজে লাগান৷ ৪ ওভারে ৩৩ রান খরচ করে তুলে নেন তিনটি উইকেট৷

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।