চেন্নাই: বোলারদের গড়ে দেওয়া মঞ্চে নির্ভরতা জোগালেন ব্যাটসম্যানেরা। ফলস্বরূপ প্রথম তিন ম্যাচে হারের হ্যাটট্রিকের পর পঞ্জাব সুপার কিংসকে হেলায় হারিয়ে চলতি আইপিএলের প্রথম জয় পেল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ১০ বল বাকি থাকতে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে পঞ্জাব কিংসের দেওয়া ১২১ রানের সহজ লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলল তারা।

এদিন টস জিতে চেন্নাই’য়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্জাব কিংস। কিন্তু কেএল রাহুল, ক্রিস গেইল, নিকোলাস পুরান সমৃদ্ধ পঞ্জাবের ব্যাটিং লাইন-আপ প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয়বার চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ। এদিন রিলে মেরেডিথ এবং ঝাই রিচার্ডসনের পরিবর্তে মোইসেস হেনরিকস এবং ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে দলে নিয়েছিল পঞ্জাব। ব্যাট হাতে ব্যর্থ অল-রাউন্ডার হেনরিকস।

ভুবনেশ্বর কুমার, খলিল আহমেদ, অভিষেক শর্মাদের দাপুটে বোলিং’য়ে পঞ্জাবের একটি পার্টনারশিপও লম্বা হয়নি। ২৫ রানের গন্ডি পেরোননি কোনও পঞ্জাব ব্যাটসম্যানই। সর্বোচ্চ ২২ রান করেন পঞ্জাবের দুই ব্যাটসম্যান ময়াঙ্ক আগরওয়াল এবং শাহরুখ খান। ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সানরাইজার্সের সবচেয়ে সফল বোলার খলিল আহমেদ। ২টি উইকেট অভিষেক শর্মার। একটি করে উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, সিদ্ধার্থ কৌল এবং রশিদ খান।

জবাবে ওপেনিং’য়ে ওয়ার্নার-বেয়ারস্টোর দারুণ শুরু জয় নিশ্চিত করে দেয় সানরাইজার্সের। ৩৭ বলে ৩৭ রান করে অধিনায়ক ওয়ার্নার যখন আউট হন, দলের রান তখন ১০.১ ওভারে ৭৩। এরপর চলতি মরশুমে সানরাইজার্সের হয়ে হয়ে প্রথম মাঠে নামা কেন উইলিয়ামসন বেয়ারস্টোর সঙ্গে জুটি বেঁধে বৈতরণী পার করে দেন। স্বল্প পুঁজি নিয়ে সেই অর্থে লড়াইয়ের সুযোগ পাননি পঞ্জাব বোলাররা।

৫৬ বলে অপরাজিত ৬৩ রান করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার জনি বেয়ারস্টো। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৩টি চার এবং ৩টি ছয়ে। অন্যদিকে ১৯ বলে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন উইলিয়ামসন। ৪ ম্যাচের মধ্যে ৩টি’তে হেরে লিগ টেবিলের একেবারে নীচে নেমে গেল পঞ্জাব। অন্যদিকে প্রথম জয়ে লিগ টেবিলে পাঁচে উন্নীত হল সানরাইজার্স।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.