বেঙ্গালুরু: প্রায় দেড় দশক পর লিস্ট-এ ক্রিকেটে এক ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করলেন শান্তাকুমারন শ্রীসন্থ। শ্রীসন্থের কামব্যাক স্পেলে ভর করে বিজয় হাজারে ট্রফিতে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পেল কেরল। বিজয় হাজারে ট্রফির দ্বিতীয় ম্যাচে সোমবার উত্তরপ্রদেশকে ৩ উইকেটে হারাল তারা। আট বছর পর কেরলের হয়ে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট খেলতে নেমেই নজর কাড়লেন জাতীয় দলের জার্সিতে ২০০৭ টি২০ বিশ্বকাপ এবং ২০১১ বিশ্বজয়ী দলের সদস্য।

আইপিএলে স্পট ফিক্সিং’য়ের কারণে ক্রিকেট থেকে আজীবন নির্বাসনের খাঁড়া উঠে যাওয়ার পর গত মাসেই প্রতিযোগীতামূলক ক্রিকেটে ফিরেছেন দক্ষিণী পেসার। বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচে ওডিশার বিরুদ্ধে ৪১ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন শ্রীসন্থ। বেঙ্গালুরুতে এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন কেরল অধিনায়ক সচিন বেবি। উত্তরপ্রদেশের শুরুটা এদিন দারুণ করেন দুই ওপেনার অভিষেক গোস্বামী এবং করণ শর্মা। ২১তম ওভারে ব্যক্তিগত ৫৪ রানে ওপেনার অভিষেক গোস্বামীকে ফিরিয়ে দিনের প্রথম শিকারটি করেন শ্রীসন্থ।

এরপর ডেথ ওভারে ফিরে আরও ৪টি উইকেট নেন দেশের জার্সি গায়ে ৫৩টি ওয়ান-ডে খেলা ফাস্ট বোলার। উত্তরপ্রদেশ অধিনায়ক ভুবনেশ্বর কুমার, মহসিন খান, আকাশদীপ নাথ এবং শিবম শর্মা ডেথ ওভারে শিকার হন শ্রীসন্থের। শিবম শর্মাকে ফিরিয়ে উত্তরপ্রদেশ ইনিংসে ইতি টানেন কেরল পেসার। লিস্ট-এ কেরিয়ারে এটি শ্রীসন্থের দ্বিতীয়বার ইনিংসে পাঁচ উইকেট। ডেথ ওভারে শ্রীসন্থের আগুনে স্পেলে দু’বল বাকি থাকতেই ২৮৩ রানে অল-আউট হয়ে যায় উত্তরপ্রদেশ। উত্তরপ্রদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন আকাশদীপ নাথ।

জবাবে ব্যাট হাতে ওপেনার রবিন উথাপ্পা, অধিনায়ক সচিন বেবির অর্ধশতরানে জয় নিশ্চিত করে কেরল। সাত বল বাকি থাকতে ৭ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় কেরল। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ে ৫৫ বলে ৮১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন উথাপ্পা। ৮৩ বলে ৭৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস আসে অধিনায়ক সচিন বেবির ব্যাট থেকে। শেষদিকে ৩১ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন জলজ সাক্সেনা। শ্রীসন্থের বল, উথাপ্পা-বেবির ব্যাটে টানা দ্বিতীয় জয়ে গ্রুপ-সিতে রান রেটে দ্বিতীয়স্থানে কেরল। ওডিশাকে দ্বিতীয় ম্যাচে আট উইকেটে হারিয়ে শীর্ষে রেলওয়েজ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।