ছবি: ট্যুইটারের সৌজন্যে

কলকাতা- বান্ধবী রুক্মিণা মৈত্রের সঙ্গে মশকরা করতে গিয়ে কবিতা লিখে পাঠিয়েছিলেন দেব। রুক্মিণীও একেবারে মজার ছলেই তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন। আর সেই কবিতা নিয়েই এখন সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া। ট্রোলাররা যেন ওঁত পেতে বসেছিলেন। তাই শুরু হয় সেই কবিতা নিয়ে ট্রোলিং। যদিও সব সময়ের মতোই ট্রোলারদের ভদ্রতার সঙ্গেই জবাব দিয়েছেন দেব।

দেব টুইট করেন, “আরে আমার প্রিয় বন্ধুরা, যারা ভালোবাসার, ভালোবাসবে। যাঁদের ঘৃণা করার, তারা ঘৃণা করবে। যাদের ট্রোল করার স্বভাব, তারা ট্রোল করবেই। আমি তো শুধু রুক্মিণীর মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছিলাম। আর এখন তো আমার কবিতা শুনে সবাই হাসছে। যদিও তাদের হাসির কারণটা আলাদা।” অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও দেবের সেই কবিতাটি শেয়ার করে একটি পোস্ট করেছেন।

ক্যাপশনে লেখেন, “কি মিষ্টি না! আহা এরকম কবি বাংলার ঘরে ঘরে জন্মাক। আমাক কিন্তু সত্যিই মিষ্টি লেগেছে।” শ্রীলেখার এই পোস্টে নেটিজেনরা অনেকেই বিদ্রুপের সুর খুঁজে পেয়েছেন। ব্যঙ্গ করেই অভিনেত্রী এমন পোস্ট দিয়েছেন বলে অনেকে মনে করেছিলেন।

যদিও শ্রীলেখা নিজেই পরে কমেন্ট সেকশনে লেখেন, “ছেলেটা কিন্তু সত্যি খুব মিষ্টি। এর মধ্যে ব্যঙ্গ খুঁজো না প্লিজ।” দেব ট্রোলারদের যে পাল্টা জবাব দিয়েছেন, সেটির স্ক্রিনশটও কমেন্টে শেয়ার করে লিখেছেন, “সত্যিই দারুণ। তোমায় ভালোবাসি দেব।”

প্রসঙ্গত, রুক্মিণী সোমবার টুইট করেছিলেন, “আমার যে কবিতার বিষয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে সেই বিষয়ে দেবের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম। তখন ও বলল, ওর মনের ভিতরেও এক কবি সত্ত্বা রয়েছে। আর তার পাঁচ মিনিটের মধ্যে এই কবিতা লিখে পাঠিয়েছে ও।

আমার কিছু বলার নেই এই কবিতা দেখে। আমি শুধু পৃথিবীকে জানাতে চাই, ওর বন্ধুদের কী সহ্য করতে হয়!” দেবের লেখা কবিতাটিও শেয়ার করেছেন রুক্মিণী। ‌তবে পুরো বিষয়টিই যে নেহাত মজা করে তা বলাই বাহুল্য। দেবও খুনশুঁটি করেই রুক্মিণীকে এই মেসেজটি পাঠিয়েছেন। আর সেটি মজা করে সকলের সঙ্গে শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.