কলকাতা- বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় কমেডি শো মীরাক্কেলে বিচারকের আসনে সব সময়ই দেখা যেত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে। কিন্তু এবার সেই ধারায় বদল হতে চলেছে। সোমবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করে শ্রীলেখা জানান তিনি বাদ পড়তে চলেছেন মীরাক্কেল থেকে।

আর তাই জল্পনা তৈরি হয়েছে যে শ্রীলেখার জায়গায় এবার কাকে দেখা যাবে। এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের মারফত জানা যায় যে এই শোতে এবার বিচারকের আসনে শ্রীলেখার বদলে দেখা যেতে পারে অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, নুসরত জাহান অথবা পাওলি দামকে। এদের মধ্য থেকে একজনকে এই শোতে বিচারকের আসনে দেখা যাবে বলে জানা যাচ্ছে।

শ্রীলেখা তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, “সবথেকে জনপ্রিয় কমেডি শো শুরু হতে চলেছে। তবে অবশ্যই আমাকে ছাড়া। আমি সত্যি বলেছি, বিশ্বস্ত থেকেছি এবং কারোকে তৈল মর্দন করিনি। আর সেই জন্য এই মূল্য আমাকে দিতে হচ্ছে। ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় চ্যানেল।”

মাস কয়েক আগে নেপোটিজম বিষয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন টলিউডে স্বজনপোষণ রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার তার শিকার হয়েছেন। শ্রীলেখার অভিযোগের নিশানায় ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়।

ফেসবুকের পোস্ট শ্রিলেখা মিত্রের
ফেসবুকের পোস্ট শ্রিলেখা মিত্রের

আর তারপরেই স্বস্তিকা একটি স্টেটাস দিয়েছিলেন। যেখানে তিনি বলেছিলেন প্রত্যেক অভিনেতাকেই নিজের খামতি বুঝতে হয়। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শ্রীলেখা লিখেছেন, “আর তুমি ঠিক বলেছিলে। আমি আমার খামতি বুঝি। আমার শত্রুদের এবার একটা পার্টি হবে।”

টেলিভিশনের এই জনপ্রিয় সম্পর্কে শ্রীলেখা জানিয়েছেন যে তার কাছে এটি একটি ইমোশনাল জার্নি ছিল। শ্রীলেখা বলেছেন, “বহু বছর ধরে আমি এই শো এর অংশ ছিলাম। আমার যেটা খারাপ লাগছে সেটা হল এই টিম থেকে আমায় কেউ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়নি। আমি অন্যভাবে বিষয়টি জানতে পেরেছি।

আর এটাই আমার যন্ত্রনা দিয়েছে। শো নিজের মতো চলবে। কিন্তু আমি এটা থেকে নিজেকে পুরোপুরি সরিয়ে নিয়েছি।” তবে এখন দেখার বিচারকের আসনে শ্রীলেখার বদলে কাকে দেখা যায়। স্বস্তিকা, নুসরত নাকি পাওলি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।