নয়াদিল্লি: ২০২০ সালটা জীবদ্দশায় দেখা সবচেয়ে ট্র্যাজিক একটি বছরের তকমা পেয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। এবার চলতি বছরের ট্র্যাজেডিতে যোগ হল আরেও একটি ঘটনা। চোখের নিমেষে হঠাতই ধ্বংসস্তূপে পরিণত ছবির মতো সাজানো একটা শহর। লেবাননের রাজধানী শহর বেইরুটের ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণে ক্রমেই বেড়ে চলেছে মৃতের সংখ্যা। প্রবল বিস্ফোরণে অন্ততপক্ষে ১০০ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি ৪ হাজারেরও বেশি মানুষের আহত হওয়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন। মঙ্গলবার রাত থেকে বেইরুটের ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই তা ভাইরাল।

জানা গিয়েছে, ২৭০০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ভর্তি এক গুদামঘর এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের উৎসস্থল। আর সেই বিস্ফোরণের তীব্রতা বা শকওয়েভ এতোটাই বেশি ছিল যে বেইরুট শহরের আশেপাশের অঞ্চলেও বিস্ফোরণ অনুভূত হয়েছে। রাতারাতি ধ্বংসস্তূপের আকার নেওয়া বেইরুটের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে আতকে ওঠার জোগাড়। গোটা পৃথিবী মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির প্রার্থনায় ব্রতী হয়েছে। পিছিয়ে নেই এদেশের ক্রীড়াজগৎ।

লেবাননের রাজধানী শহরের বিস্ফোরণের ভিডিও দেখে ঘটনাটিকে ‘হৃদয়বিদারক’ আখ্যা দিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘হৃদয়বিদারক এবং মর্মস্পর্শী। লেবাননের মানুষের জন্য আমার প্রার্থনা রইল।’ জাতীয় দলের প্রাক্তন তারকা অল-রাউন্ডার যুবরাজ সিং টুইটারে লিখেছেন, ভয়ংকর এবং হৃদয়বিদারক সব ছবি আসছে বেইরুট থেকে। স্থানীয় মানুষ যে কী ঘটনার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে বা কী দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছে জানা নেই। ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন বা আহত হয়েছেন তাঁদের জন্য প্রার্থনা করছি। এই বছরটার সামনে আমরা যেন সবাই হাঁটু গেড়ে বসে পড়েছি। পৃথিবীর আরোগ্য কামনা করছি।’

এছাড়াও রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, ময়াঙ্ক আগরওয়ালের মতো জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও লেবাননের জন্য প্রার্থনা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। জাদেজা লিখেছেন, ‘মানুষের মৃত্যু সবসময়ই দুঃখের। লেবাননের মানুষের জন্য আমার সমবেদনা এবং প্রার্থনা রইল।’ মহিলা ক্রিকেট দলনায়িকা মিতালি রাজ বেইরুট বিস্ফোরণের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লেখেন, ‘ভয়ঙ্কর।’ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন শাটলার পিভি সিন্ধু লিখেছেন, ‘বেইরুটের সকল মানুষ এবং পরিবারের জন্য আমার প্রার্থনা।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।