হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী গীতা হিন্দু ধর্মগ্রন্থের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী৷ এটি একটি ভক্তিবাদী ধর্মগ্রন্থ৷ ভগবান কৃষ্ণের প্রতি গভীর ভক্তিই এই পুরাণের প্রধান আলোচ্য বিষয়৷ ভগবান কৃষ্ণের প্রতি গভীর ভক্তিই এই পুরাণের প্রধান আলোচ্য বিষয়৷ ভগবত পুরাণকে পবিত্রতম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ পুরাণ মনে করা হয়৷ কথিত আছে, ব্যাসদেবই এই পুরাণের রচয়িতা৷ এই পুরাণেই রয়েছে এমন বেশ কিছু গোপন তথ্য যা আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে সক্ষম৷ এগুলি হল-

১) এই বিশ্বে রয়েছে শুধুমাত্র দুই ধরনের মানুষ, যারা সমস্ত রকম সমস্যা থেকে মুক্ত৷ তাদের জীবনে সুখ শান্তিতে ভরপুর৷ এদের জীবনে নেই কোনও সমস্যা এবং চিন্তাভাবনা৷ কিন্তু এই দুই ধরণের মানুষ কারা? এরা হলেন যারা একেবারেই বোকা এবং অপরজনেরা হলেন যারা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন ভগবানের কাছে৷ নিজেদের সমস্ত কিছু উজাড় করে দিয়েছেন ভগবানের সেবায়৷

২) যারা ধীরে ধীরে সমস্তরকম জ্ঞানের পরিতৃপ্তি লাভের চেষ্টা করে তারা ধীরে ধীরে জীবনের দুর্বোধ্য অবস্থার দিকে ধাবিত হয়৷ কারণ প্রকৃতির নিয়মকানুনকে লঘু করে তোলা হলে পাপের প্রতিক্রিয়াও অবশ্যই ভোগ করতে হবে। এমনকি উচ্চাভিলাষী ব্যক্তিরা ক্রমাগত উদ্বেগ সৃষ্টি করে এবং তারা সবসময়ই দুখের মধ্যেই থাকেন৷

৩) যারা নিজেদের কাজের বিষয়ে একেবারেই অমনোযোগী৷ তারা নির্বোধের মতন অন্যের আদেশে বেঁচে থাকে৷ কিন্তু যারা কৃষ্ণের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করে, তারা বিস্ময়কর সুখ দিয়ে পরিপূর্ণ হয়। অতএব, বোকা ও ভক্ত উভয়ই শান্তিপূর্ণ বলে মনে করা যেতে পারে, এই কারণে তারা উচ্চাভিলাষী ব্যক্তির সাধারণ উদ্বেগ থেকে মুক্ত৷

৪) একসঙ্গে অনেক ব্যক্তি কোনও স্থানে একত্রিত হলেই সেখানে সমস্যার সূত্রপাত হওয়া নিশ্চিত৷ কিন্তু যারা বৈষ্ণব এবং বৈষ্ণবী তারা নিজেদেরকে একেবারেই ভগবানের সেবায় নিয়োজিত করেছে৷ তাই তাদের কি রইল কিংবা রইল না সেটিতে তারা তোয়াক্কাই করেন৷ জীবন সংসারের বাইরে গিয়ে তারা নিজেদের জগৎ নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকেন৷

৫) সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎসঙ্গে নরকবাস৷ এই বাক্যটি বস্তুতপক্ষে সত্য৷ আপনার সঙ্গ যদি ভালো হয়৷ যদি আপনি বিচার বিবেচনা করে সঙ্গ বাছাই করেন৷ তাহলে আপনার জীবনে সুখ নিশ্চিত৷ আর যদি বিচার বিবেচনা করে বন্ধু চিহ্নিত করতে না পারেন তাহলে নিজের জীবনে অন্য কাউকে বেশি গুরুত্ব দেবেন না৷ নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিজেই নিন৷