নয়াদিল্লি: বিদ্যুৎগতিতে বাড়ছে সংক্রমণ। প্রতিদিন নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙছে ভারত। শনিবার দেশে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা তাক লাগিয়ে দিয়েছে। একদিনে ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৬৫,০০২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৯৯৬ জনের।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নভেল করোনা ভাইরাসে এখনও অবধি সংক্রমিত ২৫,২৬,১৯২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪৯,০৩৬ জনের। COVID-19 থেকে এখনও অবধি সুস্থ হয়েছেন ১৮,০৮,৯৩৬ জন। সুস্থতার হার ৭১.৬০ শতাংশ, পজিটিভিটি রেট ৭.৪৮ শতাংশ। এখনও অবধি সবচেয়ে বেশি সাম্পেল টেস্ট করা হয়েছে শুক্রবার, সংখ্যাটি ৮,৬৮,৬৭৯।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্র(৩৬৪), তামিলনাডু(১১৭), কর্নাটক(১০৪), অন্ধ্রপ্রদেশ(৯৭) এবং পশ্চিমবঙ্গে(৬০)। পাশাপাশি, সবচেয়ে বেশিও সংক্রমণ হয়েছে মহারাষ্ট্র(১২,৬০৮), অন্ধ্রপ্রদেশ(৮,৯৪৩), কর্নাটক(৭,৯০৮), তামিলনাডু(৫,৮৯০) এবং উত্তরপ্রদেশে(৪,৫১২)।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশেই তৈরি হচ্ছে ভ্যাক্সিন। বর্তমানে তিনটি ভ্যাক্সিন পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। এখন অপেক্ষা শুধু গ্রিন সিগন্যালের।

এছাড়াও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ‘ডিজিটাইজেশন’-এর দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল ডিজিটাল হেল্থ মিশনের সূচনার কথা এদিন লাল কেল্লা থেকে ঘোষণা করলেন তিনি। দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এর ফলে বিপ্লব ঘটতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেই মিশনে প্রত্যেক ভারতবাসীখে একটি হেল্থ আইডি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মোদী জানিয়েছেন প্রত্যেককে দেওয়া হবে হেল্থ আইডি। আর সেই আইডি-তেই থাকবে ওই ব্যক্তির স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সব তথ্য। কোন চিকিৎসকের কাছে যাচ্ছেন, কী ওষুধ খাচ্ছে, স্বাস্থ্যে কী কী সমস্যা আছে, সবটাই থাকবে সেই আইডিতে। আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার আওয়ায় হবে এই মিশন।

তবে ৩ কোটির বেশি এন৯৫ মাস্ক এবং ১.২৮-এর বেশি পিপিই কিট এবং ১০.৮৩ কোটি হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ট্যাবলেট এখনও অবধি রাজ্যগুলিকে বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। মেক ইন ইন্ডিয়ার আওতায় মোট ২২,৫৩৩ ভেন্টিলেটরও পাঠানো হয়েছে রাজ্য সহ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে। ‘আত্মনির্ভর ভারত’ এবং ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে ব্যপকহারে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় জিনিস পরিমাণ মতন উৎপাদন শুরু হওয়ায় তা সম্ভবপর হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও