বেঙ্গালুরু: লকডাউনে দারুণ কোপ পড়েছে দেশের জোগান-চাহিদায়। তাই এবার মেডিক্যাল থেকে অন্যান্য অপরিহার্য সামগ্রী ড্রোনের মাধ্যমে পৌঁছে দেবে স্পাইসজেট। সম্প্রতি সেইজন্য ড্রোন ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে এই বিমানসংস্থা।

চলতি মাসের শুরুরদিকে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশনের তরফে (DGCA) পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ১৩টি দলকে ড্রোন অপারেট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সফলভাবে ট্রায়ালের পরে, বিমানসংস্থার কার্গো আরম স্পাইসএক্সপ্রেস অপরিহার্য মেডিক্যাল সামগ্রী পার্সেল এবং প্রয়োজনীয় জিনিস এবং খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার কাজ করবে, তেমনটাই জানিয়েছে স্পাইসজেট।

বিমানসংস্থার চেয়্যারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর অজয় সিং একটি বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “ভারতে কমখরচে আকাশপথের পরিষেবায় প্রয়োজনীয় জিনিস এবং খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য ড্রোন টেকনলজি একটি বড়সড় পদক্ষেপ”।

স্পাইসএক্সপ্রেসের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলির মধ্যে Throttle Aerospace-কে দৃশ্যমানতার বাইরে ড্রোন সামলানোর দায়িত্ব ট্রায়ালের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে, একটি বৈদ্যুতিন বার্তায় তেমনটাই জানিয়েছেন এয়ারলাইন্সের অপারেটর। তবে ঠিক কবে শুরু হবে ট্রায়াল সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় লকডাউন কাটাচ্ছে ভারত। এই সময়ে চাহিদার বেড়েছে হোম-ডেলিভারির, সেখানে যেমন রয়েছে বাড়ির গুরুত্বপূর্ণ জিনিস তেমনই রয়েছে খাবার, ওষুধ, কারণ ক্রমশই প্রকোপ বাড়িয়েছে করোনা ভাইরাস।

যদিও লকডাউন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছুক্ষেত্রে নিয়ম শিথিল করা হয়েছে যার মধ্যে রয়েছে যাত্রীবাহী বিমান। এই মাসের শুরুর দিকে, অ্যামাজন ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বর্তমান সময়ে দেশে অনলাইন শপিংয়ের চাহিদা মেটাতে সাময়িকভাবে ৫০ হাজার কর্মী নিয়োগ করবে কোম্পানি।

স্পাইসজেট জানিয়েছে, ড্রোন উড়িয়ে দেশের কোনায় কোনায় প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে কবে থেকে শুরু হবে তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পঙ্গপালের হামলা সামাল দিতেও ড্রোন উড়িয়েছে রাজস্থান। টাইমস অফ ইণ্ডীয়ার একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে পঙ্গপাল তাড়াতে ড্রোন ব্যবহার করেছে রাজস্থান। মূলত কীটনাশক ছড়াতে ব্যবহার করা হচ্ছে ড্রোন। একধরনের শব্দ তৈরি করে পঙ্গপাল তাড়াতে সাহায্য করে।
যেসব জায়গায় ট্র্যাক্টর পৌঁছতে সক্ষম নয় সেখানেই ড্রোনের ব্যবহার করা হয়েছে। আরও ৩০ টি ড্রোন এইকাজে ব্যবহার করা হবে বলেই জানা গিয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প