নয়াদিল্লি: বিভিন্ন ব্র্যান্ড যেখানে দিওয়ালি আগে বড় বিক্রির আশায় নিয়ে অপেক্ষা করছে সেখানে এক সমীক্ষা বেশ হতাশ জনক রিপোর্ট দিচ্ছে। জানাচ্ছে এই উৎসবের মরশুমে ৫০ শতাংশ মানুষ খুবই সতর্ক এইসময় কেনাকাটার ব্যাপারে। এই সমীক্ষাটি করেছ ইউগোভ নামক একটি মার্কেট রিসার্চ সংস্থা।

সমীক্ষার জন্য দশটি মাপকাঠি নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে, আয় বৃদ্ধি অথবা হ্রাস, ব্যয় বৃদ্ধি অথবা হ্রাস, খরচ করার প্রবণতা বা ইচ্ছা ইত্যাদি। এই সমীক্ষা করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে ১৫ শতাংশের আয় বৃদ্ধি হয়েছে। আর ৫০ শতাংশ জানিয়েছে তারা খুবই সতর্ক এখন খরচের ব্যাপারে।

খরচের ব্যাপারে রীতিমতো নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন ৮০.৯৬ শতাংশ। যার ফলে গত বছরের দেওয়ালির তুলনায় এই বছরে খরচ কমানোর দিকে টেনে আনবে। সমীক্ষা চালানো হয়েছে ২৫০০ জনের উপর অনলাইনে ২১-২৫ সেপ্টেম্বর।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৫৪ শতাংশ জানিয়েছে গতবারের তুলনায় এ বছর দিওয়ালিতে কম খরচ করবে যেখানে ২০১৯ সালে করা সমীক্ষায় অংকটা ছিল ২৩ শতাংশ। প্রতি পাঁচজনে একজন অর্থাৎ ২০ শতাংশ পরিকল্পনা করেছে গত বছরের মতোই এ বছরেও খরচ করবে।

তবে ১৭ শতাংশ জানিয়েছে তারা গত বছরের তুলনায় বেশি খরচ করবে। ইউগোভ ইন্ডিয়ার জেনারেল ম্যানেজার দীপা ভাটিয়া জানিয়েছেন, অতি মহামারীর ফলে অর্থনীতির যে ধীর গতি চলছিল তা থেকে কিছুটা এই উৎসবের সময় ঘুরে দাঁড়ানো যাবে বলে ব্যবসায়ীরা আশা করছিল।

যদিও ক্রেতাদের মধ্যে সেই উৎসাহ অনেক কম এই বছর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।