ব্লুমফন্টেন: তাঁর ডেলিভারি অ্যাকশন অনেকটাই লসিথ মালিঙ্গার মতো৷ ক্রিকেটমহলে তাঁকে অনেকেই ‘নতুন মালিঙ্গা’ বলতে শুরু করেছেন৷ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই শোয়েব আখতারের গতিকেও ছাপিয়ে বিশ্বরেকর্ড করলেন শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলা বছর সতেরোর মাথিশা পাথিরানা৷

রবিবার ব্লুমফন্টেনে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ঘণ্টায় ১৭৫ কিলোমিটার বেগে বল করে ক্রিকেটমহলে হইচই ফেলে দিয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রের এই তরুণ ফাস্ট বোলার৷ স্পিডো গান ঠিক হলে শোয়েব আখতারকে ছাপিয়ে বিশ্বরেকর্ড করে ফেলেছেন পাথিরানা৷ যদিও আইসিসি-র তরফে এখনও কোনও এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি৷

আইসিসি-র খাতায় এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের দ্রুততম ডেলিভারির মালিক শোয়েব আখতার৷ ২০০৩ বিশ্বকাপে নিউল্যান্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘন্টায় ১৬১.৩ কিলোমিটার বেগে বল করে রেকর্ড গড়েছিলেন ‘রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেস’। আইসিসি-র খাতায় এটাই বিশ্বের দ্রুততম ডেলিভারি৷ শোয়েবের কাছাকাছি বোলিং করে তাঁর পিছনে রয়েছেন দুই অজি পেসার শন টেট ও ব্রেট লি৷ প্রাক্তন পাক পেসারের কাছাকাছি গতিতে বল করেছিলেন।

দুই অজি বোলারের বলের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৬১.১ কিলোমিটার। ২০০৫-এ নেপিয়ারে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই রেকর্ড করেন লি৷ আর ২০১০ লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই রেকর্ড ছিল টেটের৷ রবিবার ব্লুমফন্টেনে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে এঁদের সকলকে ছাপিয়ে যান পাথিরানা৷

ম্যাচের চতুর্থ ওভারে পাথিরানার হাত থেকে বের হয় এই ডেলিভারি। ভারতীয় ব্যাটসম্যান যশস্বী জয়সওয়াল তখন ব্যাট করছিলেন। বলটি পিচে পড়ে লেগ স্টাম্পের অনেকটাই বাইরে দিয়ে চলে যায়। স্পিড গানে দেখা যায় ডেলিভারিটির গতি ঘন্টায় ১৭৫ কিলোমিটার অর্থাৎ প্রতি ঘন্টায় ১০৮ মাইল। এর পরেই ক্রিকেটমহলে জোর আলোচনা শুরু হয়। কিন্তু সংশয় রয়েছে স্পিড গান নিয়েও৷

পাথিরানার ডেলিভারির গতি ঠিক হলেও বলটি বৈধ না-হওয়ায় এটি রেকর্ড হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে৷ কারণ পাথিরানার ডেলিভারিট ওয়াইড দিয়েছেন আম্পায়ার৷ তবে বলটি বৈধ না-হলেও গতির নিরিখে শ্রীলঙ্কার তরুণ ফাস্ট বোলার ছাপিয়ে গিয়েছেন প্রাক্তন পাক এই পাক পেসারকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।