পাটনা: ভারতের রাজনীতিতে বর্তমানে এক আলোচিত নাম প্রশান্ত কিশোর। সদ্য জনতা দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়া এই নেতা দেশের একাধিক আঞ্চলিক দলে স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতা করায় তাঁকে সদ্য দল থেকে বহিষ্কার করেছেন নীতিশ কুমার। এবার প্রশান্ত কিশোরের নিজের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভূমিকা কী হবে। নতুন দল তৈরির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

তিনি বিহারে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন, এমন কথা নিজে মুখেই জানিয়েছেন। তবে তাঁর ভূমিকা কি হবে, তা স্পষ্ট করেননি। মঙ্গলবার পাটনা পৌঁছে সেখান থেকেই সবকিছু জানাবেন বলে উল্লেখ করেছেন। সোমবার তিনি বলেছেন, ‘বিহারের রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছি না।’

দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এই প্রথম বিহারে যাচ্ছেন তিনি। তাই সেখান থেকে কী ঘোষণা করবেন, সেদিকে তাকিয়ে আছেন অনেকেই।

সামনেই বিহারের বিধানসভা ভোট। তবে কি এবার শিবির বদল করবেন নির্বাচনী রণনীতিকার? প্রশান্তের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, অনেকেই যোগাযোগ রাখছেন। তবে উৎসাহ দেখাচ্ছেন না প্রশান্ত।

দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াকে জেতানোয় বড় ভূমিকা রয়েছে প্রশান্তের। তৃণমূলেরও ভোট কৌশলী তিনি।

এদিকে, প্রশান্ত কিশোরকে বিরোধীরা টার্গেট করতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আর তার জেরেই Z ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে রাজ্য সরকার।

প্রশান্ত কিশোর-কে Z ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে। তার সঙ্গে কনভয় ও অফিসার থাকবে। তাঁকে হামলার টার্গেট করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের কাছে এমন রিপোর্ট আছে বলেও সূত্রের খবর।

এই খবর জানার পরই তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশান্ত কিশোরের সাফল্য বিরোধীদের চিন্তায় ফেলেছে বলে মনে করছে তৃণমূল শিবির।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও