প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর : অঙ্গদানের মধ্যে দিয়ে ছেলের মৃত্যু শোক ভুলতে চাইছেন ভট্টাচার্য্য দম্পতি। এই ঘটনা উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া পাঁচ মন্দির এলাকার। মৃতের নাম সংগ্রাম ভট্টাচার্য্য। মৃত্যুর পর সোমবার দুপুরে তার অঙ্গ দান করেছেন মৃতের পরিবারের সদস্যরা। মৃত্যুর আগে সংগ্রামের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর পরে তাঁর দেহ যেন দান করা হয়।

তার সেই ইচ্ছেতেই এদিন তাঁর হার্ট, চক্ষু, লিভার এবং চামড়া দান করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার ভাটপাড়ার বাড়ি থেকে বাইক নিয়ে কাজে বেরিয়ে পথ দুর্ঘটনা ঘটে পেশায় মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ সংগ্রাম ভট্টাচার্য্যের। মাথায় আঘাত পান তিনি। প্রথমে কল্যাণী জে এন এম ও পরে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ব্রেন ডেথ হয় সংগ্রাম ভট্টাচার্য্যের (৩১)।

সোমবার দুপুরে সংগ্রামের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ দান করা হয় তাঁর পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে। মৃতের পরিবারের আরও এক সদস্য জ্যোতির্ময় ভট্টাচার্য্য এক বছর আগে মারা যান। তিনি ও তাঁর অঙ্গ দান করেছিলেন। জ্যোতির্ময় বাবু সংগ্রামের জ্যাঠা ছিলেন।

আর সেই জ্যাঠার পদাঙ্ক অনুসরণ করে এবার সংগ্রামের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ দান করা হল। এই বিষয়ে মৃতের বৃদ্ধ বাবা সস্বিম ভট্টাচার্য ও মা দেবী ভট্টাচার্য বলেন, “ছেলে তো চলেই গেল। মৃত্যুর আগে ওর ইচ্ছে ছিল ওর অঙ্গ যাতে অন্যের সাহায্যে কাজে লাগে। সেই মত অঙ্গ দান করা হল।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।