কলকাতা : রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর জায়গায় চলে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের মানুষদের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার ৬ সদস্যের বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করল। রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে শীর্ষে বসিয়ে এই টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। অক্সিজেন পরিষেবা সহো যাবতীয় বিষয়ে নজর রাখবে এই বিশেষ টাস্ক ফোর্স। টাস্ক ফোর্সের সহযোগিতায় থাকছে ওয়ার্কিং গ্রুপ। করোনা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে নজরদারি চালাবে এই টাস্ক ফোর্স।

রাজ্যে রোজই করোনা সংক্রমণের পরিমাণ বাড়ছে। রাজ্যে অক্সিজেনের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছেন, রাজ্যের প্লান্টে যে অক্সিজেন উৎপাদন হয় সেই অক্সিজেন যাতে ভিনরাজ্যে এখন না পাঠানো হয়। কারণ রাজ্যে বর্তমানে করোনা চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন।

আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন রাজ্যে ভ্যাকসিন-এর জন্য ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল তৈরী করছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন,কোরোনার প্রথম হ্যার যে ভাবে সামলানো হয়েছে, সেই ভাবেই দ্বিতীয় ঝড় সামলানো হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, রাজ্যে বহু সেফ হোম করা হয়েছে। হাসপাতালে বাড়ানো হয়েছে প্রায় ৭ হাজারের মতো করোনা চিকিৎসার বেড। মুখ্যমন্ত্রী আবেদন করেছেন, সংক্রমন হলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে না গিয়ে আগে কম সংক্রমণ হলে বাড়িতে বা সেফ হোম চিকিৎসা করান। যে সব মানুষের সংক্রমণের মাত্রা বেশি তাদের জন্য হাসপাতালের বেড যাতে পর্যাপ্ত থাকার সেই দিকে নজর রাখতে হবে। টাকা থাকলেই হাসপাতালের বেড আটকে রাখা যাতে না হয় সেই বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই সময় মান্যুষকে মানবিক হতে হবে।

গতবার করোনার সময় অনলাইন মাধ্যমে করোনা রোগীদের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য সরকার এবারও সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। করোনা ব্যবস্থাপনায় রাজ্য প্রশাসন বেশ কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে । এর মধ্যে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড হেল্পলাইন। ২৪ ঘণ্টা উপলব্ধ এই নম্বরটি হচ্ছে ১৮০০-৩১৩-৪৪৪-২২২ (১২০টি লাইন)।এই নম্বরে ফোনে করলে পাওয়া যাবে করোনা সক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর। সরকারি হাসপাতালে বিনা পয়সায় করোনা চিকিৎসার জন্য সাহায্য। বিনা পয়সায় সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা। সলকাল ৯তা থেকে রাত ৯তা পর্যন্ত কউন্সেলিং। অডিওভিসুয়াল টেলি-মেডিসিন। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য কোনও ভাবেই মানুষ যাতে আতঙ্কিত না হয় সেই লক্ষ্যেই রাজ্য সরকার এই ব্যবস্থা নিয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.