হাওড়া : শম্পা,জাহিরা,রাণীরা আর পাঁচজন শিশু-কিশোরীর মতোই বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তাদের স্বপ্ন বুননের এই পথে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা বাধা হলেও অদম্য লড়াকু মানসিকতা আর প্রবল ইচ্ছেশক্তিকে সাথে নিয়েই ওরা সেই বাধাকে অতিক্রম করে চলেছে। এরকমই ১০২ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুকে নিয়ে স্বপ্ন দেখানোর লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ হাওড়ার উলুবেড়িয়া পৌরসভার কাটিলা আশা ভবন সেন্টার।

আবাসিক এই সেন্টারে থেকেই পুতুল,শম্পারা নিজেদের ভাবনা, সৃষ্টি, কীর্তিকে মানুষের দ্বারে বারবার তুলে ধরে।আজ রাখিবন্ধন উৎসবে তার অন্যথা হলনা। আবারও নিজেদের সেই সত্ত্বাকে তুলে ধরল আশা ভবন সেন্টারের আবাসিকরা। বেশ কয়েকদিন ধরেই কাগজ কেটে ওরা নিজে হাতে বানিয়েছিল রাখি। আর সেই রাখিই ওরা বেঁধে দিল ওদের প্রিয় মুক্তা ম্যামের হাতে।

আশা ভবন সেন্টারের শারীরিকভাবে বিশেষ সক্ষম এই সমস্ত বাচ্চাদের সাথে রাখিবন্ধন উৎসবে যোগ দেন হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্য। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়,স্থানীয় বিডিও নিশীথ মাহাতো সহ একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক।আশা ভবনের শিশুদের হাতে রাখি বেঁধে চকোলেট ও মাস্ক তুলে দেন জেলাশাসক। আশাভবনের কর্তা জন মেরি বাড়ুই জানান,”প্রতিবছরই আমাদের পক্ষ থেকে সাড়ম্বরে রাখিবন্ধন উৎসবের আয়োজন করা হয়। তবে এবার করোনা পরিস্থিতির জেরে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘরোয়া পরিবেশে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল।”

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও