কলকাতা: বাঁচার জন্য মুক্ত বাতাস পাওয়া যাবে না, এটা ভাবনার বাইরে ছিল। করোনার কোরাল গ্রাস এখন সেই শ্বাস নেওয়ার বাতাসটুকুও কেড়ে নিয়েছে। রাজ্যের একাধিক জায়গায় , হাসপাতালে অক্সিজেনের অভাবে করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। করোনা সংক্রমণ রেকর্ড ভেঙে চলেছে প্রতিদিন। আর তার জন্যই রাজ্য এখন কেন্দ্রের কাছে রাজ্যে উৎপাদিত অক্সিজেন ভিন রাজ্যে নিয়ে না যেতে আবেদন জানিয়েছে। এই অবস্থায় কোনও কোনও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আদালতে যাচ্ছে অক্সিজেন না পাওয়ার জন্য। কারণ হাসপাতালে সঙ্কটজনক করোনা রোগীর সংখ্যা রোজ বেড়েই চলেছে। তবে এরই মধ্যে অক্সিজেন সরবরাহে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য। আতঙ্কে বাড়িতে অক্সিজেন মজুত, বাড়াচ্ছে সংকট ।

আইন ভেঙে অক্সিজেন মজুত করা রাখার জন্যই রাজ্যে এখন অক্সিজেনের চাহিদা বা হাহাকার বেড়েছে। বিভিন্ন চিকিৎসক ও ওষুধের দোকানের সঙ্গে কথা বলে আমরা ইটা জানতে অপেরেছি। অক্সিজেন পরিষেবা নিয়ন্ত্রিন করে কেন্দ্র। অথচ দেশে অক্সিজেন উৎপাদনে প্রাচুর্য থাকার পর করোনা রোগীদের অক্সিজেন না পেয়ে প্রাণ হারাতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন

আজ পিঠে নেই অক্সিজেন সিলিন্ডার, মাকে সুস্থ করে আনল ছেলে

ভারত দৈনিক ৭ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন অক্সিজেন উৎপাদন করে। করোনার আগে ভারতে ৭০০ টন অক্সিজেনের দৈনিক চাহিদা ছিল। বাকি উৎপাদিত ওসিক্সিজেন শিল্পের কাজে লাগতো। শিল্পের অক্সিজেনকে ৯৩% পরিশুদ্ধ করে চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হয়। জেক লিকুইড মেডিক্যাল অক্সিজেন বলা হয়। বর্তমানে চিকিৎসার কাজে দৈনিক ৫ থেকে ৮ হাজার টোন পৌঁছেছে। তবে পরিবহন ও অক্সিজেন রাখার ক্রায়োজেনিক কন্টেনার ও বন্টনের সমস্যায় জন্যও ঘাটতি হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।

অথচ জরুরি ও অত্যাবশ্যক এই অক্সিজেন হাসপাতালে সরবরাহের জন্য এখন কেন্দ্র, রাজ্য সমানভাবে উদ্যোগ নিচ্ছে। রেখে, বিমানে, সড়ক পথে যাতে দ্রুত সংশ্লিষ্ট জায়গায় চাহিদা মতো অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া যায় সেই ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। তবে এর পরেও আমাদের কাছে অক্সিজেনের অভাবে করোনা রোগীর মৃত্যুর খবর আসছে।

কেউ কেউ বাড়িতেই করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন ব্যবহার করছেন। চিকিৎসকেরা বলছেন, বাড়িতে নয়, অক্সিজেন ব্যবহার করুন হাসপাতালে, সেফ হোমে, না হলে কৃত্রিম অক্সিজেনের চাহিদা কমবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.