দার্জিলিং: দক্ষিণের শান্তি ফেরাতে যখন ‘শান্তিবাহিনী’ তৈরির তোড়জোড় শুরু করেছে তৃণমূল, ঠিক তখনই পাহাড়ে পুলিশ ও সেনার সঙ্গে মোকাবিলায় নয়া বাহিনী গড়ার ডাক মোর্চার৷

পাহাড়ে উত্তেজনা বিজ বুনতে ২০০ জনের একটি বিশেষ দল তৈরি করছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা৷ গোর্খাল্যান্ড পার্সোনেল বাহিনী (জিএলপিআর) ধাঁচে এই বাহিনী গড়ে তুলতে চাইছে মোর্চা৷ অ্যাকশন স্কোয়াডেরও কাজ করবে মোর্চার এই বাহিনী৷ পুলিশ ও সিআরপিএফের সঙ্গে যৌথ ভাবে মোকাবিলায় করটাই হবে এই বিশেষ বাহিনী প্রধান কাজ৷ কোথায় গন্ডগোল বাধলে আন্দোলনকারীদের উৎসাহিত ও সুরক্ষা দিয়ে তৈরি করা হবে এই বিশেষ বাহিনী৷ জিএলপি থেকে বাছাই করা ২০০ জনকে এই বিশেষ দলে আনা হবে বলে মোর্চা সূত্রে জানা গিয়েছে৷

এর আগেও কলকাতা২৪x৭ ডম কমে প্রকাশিত হয়েছিল, গোর্খাল্যান্ড পার্সোনেল বাহিনী দিয়েই দার্জিলিং পার্বত্যাঞ্চলে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চান বিমল গুরং৷ গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার এই বিশেষ বাহিনী সংক্ষেপে জিএলপি নামেই পরিচিত৷ সূত্রের খবর, অন্তত ১০ হাজার জনের বিশাল জিএলপি বাহিনী তৈরি করা হয়েছে৷ এদের সাহায্যেই সেনা ও পুলিশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামতে চান মোর্চা প্রধান৷ আগেই তিনি জানিয়েছেন, গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে এবার ‘ফাইনাল ব্যাটল’ শুরু হচ্ছে৷ গুরুংয়ের এই ‘ফাইনাল ব্যাটল’ লড়তে প্রস্তুত জিএলপি৷

অভিযোগ, জিএলপি গঠন প্রক্রিয়া রাজ্য প্রশাসন সবই জানত, কিন্তু মোর্চা প্রধান বিমল গুরুংকে চটাতে চায়নি তৃণমূল কংগ্রেস৷ ফলে নিশ্চিন্তে শক্তি বাড়িয়েছিলেন মোর্চা প্রধান৷ গোয়েন্দা রিপোর্টে আগেই উঠে এসেছে, জিএলপি ক্যাডারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়েছে নাগা জঙ্গি সংগঠন এনএসসিএন(ন্যাশনাল সোশালিস্ট কাউন্সিল অফ নাগাল্যান্ড) খাপলাং গোষ্ঠী৷ ফলে নয়া এই বাহিনী গঠনের ফলে পাহাড়ে মোর্চার জঙ্গি আন্দোলন যে আরও তীব্র আকার নেবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ