তরতাজা প্রেমের সপ্তাহ চলছে। সপ্তাহ না বলে প্রেমের মাস বলাই ঠিক। কারণ এই সময়টিই জুড়েই পাশ্চাত্য কায়দায় প্রেম নিবেদন বা বাঙালিদের মতো বসন্ত প্রেমে নিজেকে রাঙিয়ে নেওয়ার সময়। লালে রাঙা শিমুল, পলাশের মাঝে লাল হৃদয়ে নাম লেখা থাকুক প্রিয়র। এটাই তো প্রেমের মূলমন্ত্র।

এবারের প্রেমের সপ্তাহে স্পেশাল ডেটের ভিড়ে নিজেকে সঙ্গীর চোখে সবচেয়ে আকর্ষণীয় করে তুলতে প্রাধান্য দিন টকটকে লাল রঙকেই। এই রঙটি এতটাই উজ্জ্বল যে আপনার সাজ সম্পূর্ণ করতে পোশাকটিই যথেষ্ট। বাঙালি মেয়েরাও আজকাল ওয়েস্টার্ন কালচারে নিজেকে রাঙিয়ে নিয়েছে সহজেই। তাই বিদেশী উগ্র প্রেমের প্রভাবে জমে উঠছে শহরের প্রেম কালচারও। প্রেমের রঙ যে লালটা যে কোনো প্রেমিক বা প্রেমিকার কাছে স্বঘোষিত। ছোট থেকেই এই কায়দায় আমরা সেজে উঠেছি প্রেমিকের চোখে। এবারে এই দিনটিকে স্পেশাল করে তুলতে আপনারা নীচের কয়েকটি টিপস মেনে চলতেই পারেন।

১. লাল গাউন: একেবারে জ্বলন্ত প্রেমের রঙ মিলিয়ে সন্ধের ডেটিংয়ে পরুন একটা লাল রঙা ফুল গাউন। এটাকে একটু অন্য সাজে ঢালতে কোমরে পরতে পারেন গোল্ডেন বেল্ট। সঙ্গে হাতে থাকুক একটা চকচকে গোল্ডেন ক্লাচ।

২. শর্ট ফ্রক: সেই তরুণ প্রেমিকা সাজতে আপনি পরতেই পারেন একটি লাল শর্ট ফ্রক। সঙ্গে থাকুক খয়েরি রঙের চামড়ার বুট আর খয়েরি চামড়ার একটা বেল্ট। ফ্রকের নীচে আপনি ট্রান্সপারেন্ট স্কিন কালারের মোজা পরতে পারেন।

৩. লাল স্লিভলেস টপ: একটা লাল স্লিভলেস টপের সঙ্গে পড়ুন নেটের একটা ফুল স্কার্ট বা প্যান্ট। স্কার্টের বা প্যান্টের রঙটি কালো বা সাদা বাছুন। টপটি যেহেতু স্লিভলেস তাই এর সঙ্গে ব্যাঙ্গেলস পরুন। সঙ্গে একটি হাতে থাকুক একটি ক্লাসিক রিস্ট ওয়াচ।

৪. শাড়িতেই নারী: বলাই বাহুল্য বাঙালি নারীরা শাড়ি ছাড়া অসম্পূর্ণ। তাই তাদের বাহানা চাই শাড়ি পড়ার। স্লিভলেস ক্রেপের ব্লাউজ বা ফুল স্লিভ ব্লাউজ দিয়ে পড়ুন লাল শিফনের শাড়িটি। শাড়িতে যদি সরু গোল্ডেন পার থাকে তাহলে তো কোনো কথাই হবে না। খোঁপা অবশ্যই করবেন ঘাড়ের কাছে আলতো করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।