মুম্বই: সম্প্রতি হায়দরাবাদে ডাক্তার তরুণীকে গণধর্ষণ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার পর থেকে সব থেকে বড় প্রশ্ন ছিল নারী নিরাপত্তা। সরকারের কাছে এই প্রশ্ন তুলেছিল সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজ্জনেরা। এছাড়াও উন্নাও কাণ্ডের পর সব ধৈর্য ভেঙে গিয়েছিল দেশবাসীর। কিন্তু তারপরে সরকারের পদক্ষেপ নেওয়াতে খুশি হয়েছিল সাধারণ মানুষ।

কিন্তু পরিস্থিতি যে আদেও কোন উন্নতির দিকে যায় নি তা বোঝা গেল আবার। শুক্রবার মহারাষ্ট্রের বিশেষ আদালত ৪১ বছর বয়সী এক ব্যাক্তিকে চার বছরের জন্য কারাদণ্ড দিয়েছে এক নাবালিকাকে পর্ণ দেখানোর অপরাধে।

জানা গিয়েছে ওই ব্যাক্তির নাম অমরজিতকুমার কানোজিয়া। ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে পক্সো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছিল। ২০১৫ সালে ওই ব্যাক্তি এক নাবালিকাকে পর্ণ দেখিয়েছিল। সেই অপরাধে অবশেষে আদালত শাস্তি দিল ওই ব্যাক্তিকে।

আরও পড়ুন – ‘বিজেপি দল রাবনের মাথার মতো’, তোপ মহম্মদ সেলিমের

এছাড়াও জানা গিয়েছে চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি ওই ব্যাক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। যদিও তিনি ইতিমধ্যেই চার বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি কাটিয়ে ফেলেছেন এবং তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জন করেন তাই সেই বিষয়টি আদালতকে ভাবতে আবেদন করা হয়েছিল।

নাবালিকা জবানবন্দী অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ওই নাবালিকা তার বোনের সঙ্গে যখন ঘরে একা ছিল সেই সময় ওই ব্যাক্তি তাকে তাঁর দোকানে ডাকে এবং তাঁকে পর্ণ দেখায়। সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ঘটনার উপর ভিত্তি করে দেশে সব থেকে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছিল নারী নিরাপত্তা। সেখানে দাঁড়িয়ে এই ধরণের ঘটনা সামনে আসাতে আবারও বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে পড়ল বর্তমান সমাজ।

সমস্ত ঘটনা তাঁর বাবার কাছে খুলে বলতে ওই তরুণীর বাবা বুঝতে পেড়ে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। এছাড়াও তিনি তাঁর দোকানের কাছে ফিরে গিয়েছিলেন। এই একই ধরণের ঘটনার অভিযোগ এই বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ঘটেছিল পানভেলে। যেখানে এক ব্যাক্তি এক নাবালিকাকে পর্ণ দেখিয়েছিল।