শঙ্কর দাস, বালুরঘাট : করোনা আক্রান্তদের ভোটাধিকার প্রয়োগে থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য বিভাগের অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে এসে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তাঁরা ভোট দান করবেন। করোনা আক্রান্তদের ভোট দানের জন্য বিকেল পাঁচটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

২১এর বিধানসভা নির্বাচন পর্বকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও করোনা সংক্রমণ মারাত্মক আকার না নিতে পারে সেব্যাপারেও সতর্ক কমিশন। এবারের নির্বাচনে প্রত্যেক বুথে সাধারণ ভোটকর্মীদের পাশাপাশি আশাকর্মীরাও নিযুক্ত থাকছেন। কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক সোমবার থেকে নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত আধিকারিকদের প্রত্যেককে কোভিড ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হল দক্ষিণ দিনাজপুরে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে থেকেই ভোটকর্মী আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ ও করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে তাঁদের প্রত্যেককে ভ্যাকসিন প্রদান শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এব্যাপারে বালুরঘাট জেলা প্রশাসনিক ভবনে বিশেষ শিবির তৈরি করা হয়েছে। বালুরঘাট সহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ১০ টি কেন্দ্রে ভোটকর্মী আধিকারিকদের ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। বালুরঘাটে এদিনের বিশেষ শিবিরে প্রথম কোভিড সিল্ড ভ্যাকসিন নিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক নিতিন যাদব। করোনা ভাইরাস থেকে শুধু ভোটকর্মী ও আধিকারিকদেরই নয়। ভোটদাতাদেরও সুরক্ষা প্রদানের ব্যাপারে ভোটকেন্দ্র গুলিতে বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা থাকছে।

জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুকুমার দে জানিয়েছেন ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের আগে স্যানিটাইজারের পাশাপাশি ভোটারদের প্রত্যেককে হ্যান্ডগ্লাভস দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের আগে তাঁদের থার্মালস্ক্রিনিংও করা হবে। কারও শরীরের জ্বর বা তাপমাত্রা বেশি থাকলে তাঁকে বিকেল পাঁচটার পর বিশেষ সুরক্ষার মাধ্যমে ভোট দেওয়ানো হবে। এমনকি করোনা পজেটিভদের জন্যও থাকছে বিশেষ ব্যবস্থা। তাঁদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ভোট কেন্দ্রে এনে পিপিই কিট্স্ পড়িয়ে আলাদা ভাবে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিন ভ্যাকসিন নেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলাশাসক(সাধারণ) নিতিন যাদব বলেন, “দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলা ও ব্লক প্রশাসনিক ভবনে যত গুলো দফতর রয়েছে তার সমস্ত কর্মী আধিকারিকদের নামের তালিকা তৈরী করা হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী এদিন তাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তিনি একথাও জানান যে করোনার ভ্যাকসিন নেওয়া নিয়ে মানুষের মনে যে ভীতি রয়েছে তা একেবারেই অনর্থক। ভ্যাকসিন প্রদানের শুরু দিন থেকে আজ অবধি বিশেষ করে দক্ষিণ দিনাজপুরে ভ্যাকসিন নিয়ে কেউ অসুস্থ হওয়ার খবর নেই।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।