ওয়াশিংটন: দুবার বিফল হওয়ার পর অবশেষে সাফল্য়ের মুখ দেখল স্পেস এক্স। স্টারশিপ SN10 রকেটের সফল উৎক্ষেপণ ঘটাতে পারল সংস্থা।

বুধবার এই রকেট প্রোটোটাইপ লঞ্চ করা হয়। ১০ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় একে পাঠানো হয়েছিল। পরে ফের সেটিকে ফিরিয়ে আনা হয়। মাটিতে নামার ৬ মিনিটের মধ্যে রকেটটি ধ্বংস হয়ে যায়। স্পেস এক্সের এই টেস্ট লঞ্চ সফল কারণ এর লক্ষ্য ছিল তথ্য সংগ্রহ করা। যখন রকেট ভূ পৃষ্ঠের সঙ্গে সমান্তরালে থাকে তখন কীভাবে রকেটটি কন্ট্রোল করার জন্য ফ্ল্যাপ কাজ করে তা জানাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। পৃথিবীতে ফেরার পরই বা রকেটটির কী হয় সেটাও জানতে চেষ্টা করেছিলেন বিজ্ঞানীরা। সেদিক থেকে এই মিশনকে সফল বলা যায়।

গত বছর ৬০ টি স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট লঞ্চ করে স্পেস এক্স। মূলত রকেটের সাহায্যে এই বিশেষ ধরনের স্যাটেলাইট তারা পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠায়। আর সফল ভাবে স্যাটেলাইটগুলি কক্ষপথে অবস্থান করার পরে ওই রকেটগুলি পৃথিবীতে ফেরত আসে। স্পেস এক্সের তরফে এর আগে পাঁচ বার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কোনভাবেই তাদের চেষ্টা সফল হয়নি। তদন্তের পরে জানা গিয়েছিল বেশ কিছু ভুল পদক্ষেপের কারণেই এমনটা ঘটেছে।

এই বিশেষ ৬০ টি স্যাটেলাইট পাঠানোর পরিকল্পনা বেশ কয়েকদিন আগেই করা হয়েছিল। মে মাসে রওনা হওয়ার কথা থাকলেও নানা কারণের জন্য তাদের সময়সীমা পিছতে বাধ্য হয়েছিল বিশেষজ্ঞরা। তবে হাজার অসুবিধার মধ্যেও সফল ভাবে কাজটি সম্পন্ন করার জন্য শীর্ষ কর্তাদের তরফে সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। এও জানানো হয়েছে। এর ফলে আগামীদিনে আরও কিছু পরীক্ষা করার সুযোগ পাওয়া যাবে। জানানো হয়েছে স্পেস এক্স আরও কিছু পরিকল্পনা রয়েছে যেগুলো নিয়ে দ্রুত কাজ শুরু হবে।

যদিও এখন স্পেস এক্সের তরফে নতুন কোনও পরীক্ষার কথা ঘোষণা করা হয়নি। তবে খব শীঘ্রই মহাকাশ ভ্রমণের সুযোগ হাতের কাছে এনে দেবে স্পেস এক্স। এমনকী চাঁদে যাওয়ার সুযোগও থাকছে। সম্ভবত ২০২৩ সালের মধ্য়ে তৈরি হয়ে যাবে চন্দ্রাভিযানের রকেট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.