ওয়াশিংটন: পড়শি গ্রহ এখনও হাতের মুঠোয় আসেনি ঠিকই, কিন্তু মঙ্গলে পাকাপাকি ভাবে থার জন্য যাবতীয় প্ল্যান পরিকল্পনা রেডি করে ফেলেছে অনেকে। আমেরিকান সংস্থা স্পেসএক্স মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে নতুন তথ্য শেয়ার করেছে। স্পেসএক্স-এর সিইও জিনি শটওয়েল জানিয়েছেন, মঙ্গল গ্রহে মানুষের বসতি স্থাপনে স্টারলিংক স্যাটেলাইট মুখ্য ভূমিকা নেবে।

স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এই সংস্থা পৃথিবীর পাশাপাশি মঙ্গলগ্রহেও ইন্টারনেট সরবরাহ করতে চাইছে। স্পেসএক্স জানিয়েছে, এই স্যটেলাইট দুই গ্রহের মানুষকে জুড়তে সহায়তা করবে।

সিইও গিনি শটওয়েল বলেন, মানুষ মঙ্গলগ্রহে পৌঁছে গেলে তাদের সঙ্গে পৃথিবীর মানুষের কথা বলা দরকার হবে। স্টারলিঙ্ক স্যাটেলাইট এই কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আরও পড়ুন – মানবদেহের ‘DNA’ এর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে জলদূষণ, আশঙ্কা বিজ্ঞানীদের

উল্লেখ্য, ২০৫০ সালের মধ্যে স্পেসএক্স সংস্থাটি ১ মিলিয়ন মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করেছে। সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী মঙ্গলের উদ্দেশ্যে প্রতিদিন তিনটি আকাশযান উড়ান নেবে। তার মানে এক বছরে প্রায় ১ হাজার ফ্লাইট। প্রতিটিতে প্রায় ১০০ জন ব্যক্তি মঙ্গলে যেতে পারবে।

স্পেসএক্স মানুষকে স্টারশিপ রকেটের মাধ্যমে মঙ্গল পাঠাতে চায়। গত মাসে ইলন মাস্ক জানিয়েছিলেন, রকেট প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে চলেছে। তবে, তিনি জানান, মঙ্গলে বসতি স্থাপন বা শহর গড়ে তোলা খুব একটা সহজ ব্যাপার হবে না।

অন্যদিকে চাঁদেও নাকি এবার পাওয়া যাবে ৪জি পরিষেবা। মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসা এই ব্যাপারে হাত মিলিয়েছে নোকিয়ার রিসার্চ সংস্থা বেল ল্যাবসের সঙ্গে। বলা হচ্ছে, এর জন্য খরচ পড়বে ৩৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আপাতত ওই সংস্থা জানিয়েছে ২০২২ এর মধ্যে তাঁরা চাঁদে এই কর্মযজ্ঞ শেষ করতে পারবে। উল্লেখ্য, এর আগেও অবশ্য চাঁদে LTE নেটওয়ার্ক লঞ্চ করার চেষ্টা করছিল নোকিয়া। ২০১৮ এর পর ফের সেই একই কাজে আবার হাত লাগাল তাঁরা।

আপাতত জানা গিয়েছে, প্রথমে 4G/LTE নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে পরে সেটিকে 5G-তে রূপান্তর করা হবে। নাসা মনে করছে, এটির ফলে চাঁদে যাওয়া মহাকাশচারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা সহজ হবে। মানুষ একধাপে চাঁদের ব্যাপারে অনেকটা এগিয়ে যাবে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।