বারুইপুর: করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে লকডাউন৷ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতেই দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ আচমকা ডাউনে সমস্যা বেড়েছে অনেকেরই৷ বিশেষত দিন আনা দিন খাওয়া মানুষজন ঘোরতর বিপাকে পড়েছেন৷ বারুইপুরে সেই সব মানুষের পাশে দাঁড়ালেন পুলিশ সুপার রশিদ মুনির খান৷

বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার রশিদ খানের উদ্যোগে বারুইপুর এলাকায় গৄহবন্দি দুঃস্থদের হাতে তুলে দেওয়া হল চাল ও ডাল৷ পুলিশ সুপারের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে ছিলেন বারইপুর শহরের ট্রাফিক বিভাগের কর্মীরা৷

গৄহবন্দি বেশ কিছু গরিব পরিবারের হাতে চাল, ডাল, আলু ও সোয়াবিনের প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়৷ জেলার প্রতিটি থানায় এইভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান, পুলিশ সুপার৷ এই সব পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা৷

করণা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে কোমর বেঁধে কাজ করছে রাজ্য সরকার৷ জারি করা লকডাউন মেনে চলার জন্য পথে নেমে সাধারণ মানুষকে আবেদন জানাচ্ছেন পুলিশকর্মীরা৷ প্রশাসনিক স্তরেও টিভি চ্যানেল এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সতর্কতামূলক প্রচার চলছে৷

এখনো পর্যন্ত রাজ্যে ৩৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন৷ ইতিমধ্যেই চিকিৎসা চলাকালীন তিনজন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে৷ বুধবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

লকডাউন চলাকালীন সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন রোজকার ভিত্তিতে কাজ করা মানুষজন৷ যেদিন বন্ধ সমস্ত রকম গণপরিবহণ মাধ্যম৷ বন্ধ রয়েছে সরকারি-বেসরকারি একাধিক অফিস, স্কুল, কলেজ৷ শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব পরিষেবা আপাতত বন্ধ রয়েছে৷

দিন আনা দিন খাওয়া মানুষগুলি তাদের রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঘোরতর সমস্যায় পড়েছেন৷ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দোস্ত এই মানুষদের পাশে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসন৷ একাধিক বেসরকারি সংস্থাও এগিয়ে এসেছে গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াতে৷

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও