আজমগড়: শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু৷ এই ফর্মুলা মেনে উত্তরপ্রদেশে জোট বেঁধেছে একসময়ের যুযুধান দুই শিবির বহুজন সমাজ পার্টি ও সমাজবাদী পার্টি৷ কিন্তু যখন শত্রুই থাকবে না তখন এই বন্ধুত্বের কী হবে? বসপা নেত্রী মায়াবতীর মন্তব্য এই নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছে৷

গত লোকসভা ভোটে উত্তরপ্রদেশ থেকে ৭০টির বেশি আসনে জয়ী হয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার পথ মসৃণ হয়ে যায় বিজেপির কাছে৷ আর ভরাডুবি হয় বিরোধীদের৷ সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি আটকাতে জোট বেঁধেছেন অখিলেশ ও মায়াবতী৷ কিন্তু দিল্লি থেকে বিজেপিকে তাড়িয়েই ক্ষান্ত হবে না মহাজোট৷ রাজ্যের বিধানসভা ভোটেও আর পদ্ম ফুল ফোটাতে দেবেন না অখিলেশ-মায়াবতী৷ অনেকে জোটে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করবে৷ কিন্তু প্রবল বিজেপি বিরোধী মায়াবতীর সাফ কথা, যে যতই চেষ্টা করুক এই জোট ভাঙবে না৷ অনেক দুর যাবে এই জোট৷

মায়াবতী বলেন, ‘‘কেন্দ্র থেকে মোদীকে তাড়াতে এই জোট তৈরি হয়নি৷ যতক্ষণ না যোগীকে মসনদ থেকে সরাতে পারছি ততদিন আমরা চুপ বসে থাকব না৷ দুই জনকে ক্ষমতাচ্যুত করেই তবেই ক্ষান্ত হবে৷’’ বসপা নেত্রী বুঝিয়ে দেন, মোদী-যোগীকে ক্ষমতাচ্যুত করা অবধি মহাজোট অটুট থাকবে৷ কিন্তু তারপর? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল৷

বুধবার আজমগড়ে ভোট প্রচারে যান মায়াবতী৷ এই কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব৷ ২০১৪ সালে প্রবল বিজেপি ঝড়েও এই কেন্দ্র থেকে লড়ে জেতেন মুলায়ম সিং যাদব৷ এবার আসনটি তিনি ছেলে অখিলেশকে ছেড়ে দেন৷ আর মুলায়ম চলে যান মৌনপুর কেন্দ্রে৷ মায়াবতী এর আগে মুলায়মের হয়ে ভোট প্রচার করেন৷ এবার অখিলেশের হয়ে ভোট প্রচারে যান দলিত নেত্রী৷ সেখানে বসপা কর্মী ও সমর্থকদের অখিলেশকে ভোট দেওয়ার আর্জি জানান৷