ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: চোপড়া নিয়ে প্রাথমিক রিপোর্টার এসে পৌঁছল নির্বাচন কমিশনের অফিসে৷ সুত্রের খবর এই রিপোর্টে চোপড়ায় দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে সমস্যা তৈরি হওয়ার কথা উল্লেখ থাকলেও,গুলি চালানোর বিষয় নিয়ে কোনও উল্লেখ নেই এই রিপোর্টে৷

অন্যদিকে চোপড়ার ঘটনা নিয়ে কড়া হতে নির্দেশ দিল বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়ক৷ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিশেষ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে৷ ইতিমধ্যেই এক দফা বৈঠক করেছেন সিইও আরিজ আফতাবের সঙ্গে৷

তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় চোপড়ার হাতিঘিষা মোড় এলাকা৷ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটদানে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা৷ পরে পুলিশ বুঝিয়ে সুজিয়ে অবরোধ তুলে দেয়৷ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে ভোট কেন্দ্রের দিকে নিয়ে আসেন৷ আশ্বাস দেন শান্তিপূর্ণ ভোটের৷

কিন্তু স্থানীয়দের বোঝাতে ব্যর্থ হয় রাজ্য প্রশাসন৷ স্থানীয়দের সাফ কথা, পুলিশের ওপর আমাদের ভরসা নেই৷ কেন্দ্রীয়বাহিনী আসলে তবেই আমরা ভোট দেব৷ স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোট কেন্দ্রের দিকে গেলেই তৃণমূলের কিছু সমর্থক আমাদের ভয় দেখিয়ে সেখান থেকেচলে যেতে বলছে৷ বলছে আমাদের ভোট নাকি হয়ে গিয়েছে৷

কিন্তু পুলিশ প্রশাসন আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও কেন ভোট দিতে অস্বীকার করছেন এই প্রশ্নে তাদের জবাব, ওরা কোনও কাজ করে না৷ এখন বলছে ভোটদিতে নিয়ে যাবে, কিন্তু পরে তৃণমূলের লোক আমাদেরকে মারলে ওরা আসবে না৷ তাই আমাদের কেন্দ্রীয় বাহিনী চাই৷ এই ঘটনার পরেই জেলা শাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করে কমিশন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.