ফাইল ছবি

কলকাতা: অবশেষে বাবার সঙ্গে দেখা হল মেয়ের৷ দীর্ঘ প্রায় এক বছর বাদে৷ এতদিন বাদে বাবাকে কাছে পেয়েই কেঁদে ফেললেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে৷ তাদের পাশেই তখন দাঁড়িয়ে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কাছে পেয়েই বাবাকে মেয়ের অনুরোধ বাড়ি ফিরে আসার৷ কিছুটা আবেগাপ্লুত বাবা শোভন৷ কিন্তু এরমাঝেও তাঁর অভিযোগ, মেয়ের মা রত্নার বিরুদ্ধে৷ বললেন, ‘‘আমার থেকে আলাদা রাখতে ছেলে-মেয়েকে প্ররোচিত করছে তাদের মা৷’’

আরও পড়ুন: বুলন্দশহর যখন জ্বলছে, যোগী তখন মজে লাইট এন্ড শোতে

মঙ্গলবার আলিপুর জেলা আদালতে ছিল শোভন ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ মামলার শুনানি৷ সেখানেই শোভন পত্নী রত্নার সঙ্গে এসেছিল মেয়ে৷ বাবার সঙ্গে কথা বলার জন্য বিচারককের অনুমতি চায় মেয়ে৷ বিচারক জানান এজন্য তাঁর অনুমতির কোনও প্রয়োজন নেই৷

আরও পড়ুন: মাত্র সাত বছরে বয়েসেই রায়ানের আয় শুনলে চমকে যাবেন!

এরপরই বাবা মেয়ের সাক্ষাৎ হয়৷ সেখানেই বাবাকে বাড়ি ফিরো যাওয়ার আবদার করে শোভন কন্যা৷ এ সময়ও অবশ্য বন্ধু কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিরকে কাছ ছাড়া করেননি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আদালতে এদিনও শোভন বৈশাখীর পরনে ছিল গোলাপি পোশাক৷

আরও পড়ুন: পাশে কন্যাশ্রী, আরও পড়ার স্বপ্ন দেখছে পূর্ণিমা

‘সন্তানদের প্ররোচিত করছে তাদের মা৷’ স্বামী শোভনের নিশানায় এদিনও ছিলেন স্ত্রী রত্না৷ স্বামীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রত্না চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সন্তানদের বাবাকে কাছে না পাওয়ার জ্বালা তিনি কাছ থেকে অনুভব করেছেন৷ তাদের কথাতেও বান্ধবীকে ছেড়ে বাড়ি ফিরতে পারেননি শোভন চট্টোপাধ্যায়৷ তাই প্ররোচনার অভিযোগ ভিত্তিহীন৷’’

আরও পড়ুন: মেয়র পারিষদে ‘বিদ্রোহী’ বৈশ্বানরকে আনলেন ফিরহাদ

এর আগে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তার বাড়ির সামনে গাড়ির উপর কেক রেখে কেক কাটেন ছেলে ও মেয়ে৷ ছেলের অভিযোগ বাবাকে ফোন করা হলেও তা ধরেননি তিনি৷ প্রমাণস্বরূপ সেই ভিডিও নিজেই প্রকাশ্যে আনেন শোভন পুত্র৷ সে জানিয়েছিল, ‘‘বাবা ভুল করেছে৷ তবে বাড়ি ফিরতে চাইলে স্বাগত৷’’ এরপর কেটে গিয়েছে গোটা দশ বারো দিন৷ এবার ভেজা চোখে মেয়ের অনুরোধ প্রাক্তন মেয়রকে বাড়ি ফেরার৷