কলকাতা: রাজভবনে শোভন-বৈশাখী। আল-আমিন কলেজের সমস্যা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে দরবার শোভন-বৈশাখীর। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের। এব্যাপারে রাজ্যপালকে নালিশ জানিয়েছেন শোভন। পাশাপাশি কলেজের ব্যাপারে ফিরহাদ হাকিমকে নিশানা করেছেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷

রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার পর শোভন বলেছেন, ‘আল আমিন কলেজ থেকে বৈশাখীকে উপড়ে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কলেজ কারও অ্যাজেন্ডা পূরণের জায়গা নয়। সরকারের আত্মসমালোচনা করা উচিত। রাজ্যপাল সহানুভূতির সঙ্গে গোটা বিষয়টি শুনেছেন। মিল্লি আল আমিন কলেজে দীর্ঘ দিন ধরে অচলাবস্থা চলছে। সেই আন্দোলনে বৈশাখীর বিরুদ্ধে পোস্টার৷

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কলেজের সামনে আন্দোলন করা হচ্ছে। আমি তো পদ ছেড়ে দিয়েছি, পোস্টারে কেন আমার নাম। পড়ুয়াদের কেন বিপথগামী করা হচ্ছে, তদন্ত হোক। ফিরহাদ হাকিমের কী অধিকার আছে?ওনার কী অধিকার আছে আমাকে উৎখাত করার?ফিরহাদ হাকিম আমাকে চাকরি দেননি।’

উল্লেখ্য, মিল্লি আল আমিন কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ এবং রাজ্যপাল পদাধিকার বলে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, তাই তাঁকে গোটা বিষয়টি জানালেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার সঙ্গে ছিলেন বন্ধু শোভন৷ রাজ্যপাল সহানুভূতির সঙ্গে সব শুনেছেন বলে দাবি শোভন-বৈশাখীর৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।