স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: প্রয়োজনে ফোন করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কে। জানিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বন্ধু বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রসঙ্গক্রমে, মঙ্গলবার বৈশাখী সংবাদমাধ্যমে এই খবর জানিয়েছেন। এদিনই কলকাতায় এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সেই অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পত্র তাঁরা হঠাৎ আগের দিনই পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন বৈশাখী। শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী কেউই নেতাজি ইনডোরে উপস্থিত ছিলেন না।

বৈশাখী বলেছেন, কলেজে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল। ‘হেড অফ দা ইনস্টিটিউশন’ হিসাবে তার নেতাজি ইনডোরে যাওয়া সম্ভব ছিল না। অন্যদিকে, মামলার কাজে ব্যস্ত ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। বৈশাখী এও জানিয়ে দেন, তাঁরা বিজেপিতে থাকুন বা না থাকুন, বিজেপি থাকছে।

শোভন-বৈশাখী নিয়ে জল্পনার শেষ ছিল না। দিলীপ ঘোষ তাঁদের ‘ডাল-ভাত’ বলেছেন। শোভনের স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায় নানান মন্তব্য করেছেন। দেবশ্রী রায় ইস্যুতে বিজেপি ছাড়তে চেয়েছিলেন তাঁরা। তাঁদের তরফে মূল অভিযোগ ছিল, বিজেপিতে তৃণমূলের থেকেও বেশি নোংরা রাজনীতি।

বিজেপির অন্দরের যা খবর, নেতাজি ইনডোরে নস গেলেও দলের আমন্ত্রণ পত্রের প্রাপ্তি স্বীকার করেছেন তাঁরা। অনেকেই বলছেন, বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্ত অমিত শাহের হাত থেকে দলের পতাকা পেয়েছেন, তা ভালোভাবে নেননি শোভন-বৈশাখী। কারণ তাঁরা দিল্লিতে গিয়ে জে পি নাড্ডা এবং অরুন সিংয়ের হাত থেকে পতাকা নিয়েছেন। অমিত শাহ’র ফেলা পাননি। এক্ষেত্রে, রাজনীতিতে জুনিয়র সব্যসাচী কলকাতার বুকেই সেই সম্মানটি পেয়েছেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।