কলকাতা : তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে আগামী কয়েকদিনে। এমনটাই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। বিগত কয়েকদিনে ব্যাপকভাবে গরম বেড়েছে দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলায় তা থেকে অল্প তাপমাত্রা কমতে পারে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘন্টায় দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। কোনও কোনও জায়গায় কুয়াশার দাপট দেখা দিতে পারে। আগামী দু-একদিনে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে।

আজ বুধবার আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ১৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথিতে ১৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডায়মন্ড হারবারে ২১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কৃষ্ণনগরে ১৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনিপুরে ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সোমবার আসানসোলের সর্বনিম্ন ছিল তাপমাত্রা আসানসোলে ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বালুরঘাটে ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়া ১৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ব্যারাকপুর ১৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুর ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমান ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিং ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড় ১৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়া ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতন ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

রবিবার আসানসোলের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আসানসোলে ১৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়া ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ব্যারাকপুর ২০.৫ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুর ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমান ২১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিং ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিঘা ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড় ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়া ১৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতন ১৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে মেঘ সরতেই সকালে একদম ঠাণ্ডা হাওয়া। আর এতেই কলকাতায় সকাল থেকেই যে অস্বস্তিকর গরম গত কয়েকদিন ধরে অনুভূত হচ্ছিল তা কিছুটা কমেছে। কিন্তু এতে বিশেষ সুরাহা হয়নি। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশ কিছুটা উপরে রয়েছে সময়ের স্বাভাবিকতা বজায় রেখে। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সঙ্গে সকাল থেকেই আজ পরিস্কার আকাশ। রৌদ্রজ্জ্বল আকাশে বাড়বে গরমের দাপট। সঙ্গী হবে বিশ্রী ঘামও। কারণ, আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৩ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।