সিওল: পোষ্যের জন্য সব সময়ই ব্যতিব্যস্ত পশুপ্রেমীরা। পোষ্যের সমস্যা যেন তার সয় না। সব সময়ই দুধে-ভাতে সন্তানের মতই রাখতে চান প্রভু। এই উদাহরণ রয়েছে ভুঁড়িভুঁড়ি। সম্প্রতি সাউথ কোরিয়ায় ঘটেছে এমনই এক ঘটনা, যা সারা বিশ্বের কাছে নজির গড়েছে ‘পেট লাভ’-এর।

সুইম ব্লাডার রোগে আক্রান্ত পোষ্য। তাই তার জন্য কৃত্রিম সহায়ক আবিস্কার করলেন প্রভু। হ্যাঁ নিজের পোষা গোল্ড ফিশের শারীরিক প্রতিবন্ধকতায় সহায়ক ভূমিকা নিতে হুইলচেয়ার বানালেন সাউথ কোরিয়ান যুবক। কারণ জানা গিয়েছে, এর আগে তার কিছু গোল্ডফিশ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এই রোগ হলে রোগগ্রস্থ প্রাণীটি জলে ভেসে থাকতে পারে না। তাই আগে থেকে পোষ্য সহায়ক এমন অভিনব আবিস্কার করেন ৩২ বছরের যুবক হেনরি কিম। এই আবিস্কারের জন্য গুগলের সাহায্য নেন তিনি। পেশায় একজন ডিজাইনার হেনরি। তার এই মডিউলার প্লাস্টিক আবিস্কারটি সত্যেই সহায়কের ভূমিকা নেবে। সাউথ কোরিয়ার বাসিন্দা হেনরির বাড়িতে ৩টি ট্যাঙ্কে ২০টি গোল্ড ফিশ আছে।

পোষ্যের ক্ষেত্রে সর্বদাই একটু বিশেষ রকম যত্নবান হয়ে থাকেন পশুপ্রেমীরা। আমরা কুকুর-বিড়ালদের জন্য কৃত্রিম সহায়ক দেখেছি। যা তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে সহায়তা করে থাকে। এই ধরণের সহায়ক শুধু পশ্য দেরই সাহায্য করে তাই নয়, পৃথিবীতে পশুপাখিদের জন্য একটা আলাদা জায়গা করে দেয়। এটি তাকে জলে ভেসে বেড়াতে সাহায্য করে।

কিন্তু কি এই সুইম ব্লাডার রোগ?

গোল্ড ফিশের ক্ষেত্রে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা খুব বেশি। তবে এটিকে ঠিক রোগ বলা যায় না। এটি আসলে স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার প্রধান লক্ষণ। এটিকে ফ্লিপ-ওভারও বলা হয়। এটি মাছগুলিকে ফ্লিপ করে তোলে। অ্যাকোয়ারিয়ামে মাছের সাঁতারের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করে।